বিয়ের দাবিতে অনশন করা তরুণীর বাবা এক লাখ টাকায় আপোষ

বিয়ের দাবিতে শ্বশুরবাড়িতে অনশন করা সেই তরুণীর বাবা সালিস বৈঠকে এক লাখ টাকার বিনিময়ে আপোষ করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে প্রকাশ্যে আত্মহত্যার হুমকি দিচ্ছেন ওই তরুণী।
বিজ্ঞাপন
মঙ্গলবার (৩০ জুন) সন্ধ্যায় স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান লিটু সরদারের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত সালিস বৈঠকে এ আপোষের সিদ্ধান্ত হয়। পরে তরুণীকে তার বোনজামাইয়ের বাড়িতে রেখে চলে যান তার বাবা।
তরুণীর অভিযোগ, বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে আমির হোসেন নামে এক ব্যক্তি একাধিকবার তার সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করেন। এখন তাকে বিয়ে না করলে আত্মহত্যা ছাড়া তার সামনে আর কোনো পথ নেই বলেও দাবি করেন তিনি।
বিজ্ঞাপন
তবে টাকার বিনিময়ে আপোষের খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, একটি মেয়ের সম্মান ও ভবিষ্যৎ সামান্য কিছু টাকার বিনিময়ে সমাধান করা উচিত নয়। তাদের দাবি, বিষয়টি ভিন্নভাবে সমাধান করে মেয়েটির ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করা প্রয়োজন ছিল।
স্থানীয় এক বাসিন্দা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এ ধরনের ঘটনায় শুধু টাকা দিয়ে সমাধান করলে সমস্যার প্রকৃত সমাধান হয় না। মেয়েটির ভবিষ্যতের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত ছিল।
অপর এক ব্যক্তি নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, মেয়েটি যে অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, সেখানে তার পাশে দাঁড়ানো দরকার ছিল। টাকার বিনিময়ে বিষয়টি শেষ করা নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ রয়েছে।
বিজ্ঞাপন
জানা যায়, গত সোমবার (২৯ জুন) রাত থেকে শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার বড় গোপালপুর ইউনিয়নের কাচারি কান্দি গ্রামে সুরুজ মাদবরের ছেলে আমির হোসেনকে বিয়ের দাবিতে অনশন শুরু করেন ওই তরুণী। তরুণীর অনশনের খবর পেয়ে বাড়ি ছেড়ে চলে যান আমির হোসেন। পরে স্থানীয়ভাবে সালিস ডেকে এক লাখ টাকার বিনিময়ে আপোষ করা হয় বলে জানা গেছে।
তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।








