Logo

রাঙামাটিতে পানিবন্দি ৩০ গ্রাম, আশ্রয়কেন্দ্রে ৪ হাজারের বেশি মানুষ

profile picture
জেলা প্রতিনিধি
রাঙ্গামাটি
৯ জুলাই, ২০২৬, ১৫:৪৯
রাঙামাটিতে পানিবন্দি ৩০ গ্রাম, আশ্রয়কেন্দ্রে ৪ হাজারের বেশি মানুষ
ছবি: সংগৃহীত

টানা পঞ্চম দিনের বৃষ্টিতে রাঙামাটার বাঘাইছড়ি উপজেলায় কাচালং নদীর পানি বেড়ে বিস্তীর্ণ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে অন্তত ৩০টি গ্রামের হাজারো পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের অনেকেই আশ্রয় নিয়েছেন প্রশাসনের খোলা আশ্রয়কেন্দ্রে।

বিজ্ঞাপন

পৌর এলাকার মধ্যমপাড়া, মাস্টারপাড়া, মুসলিম ব্লক, হাজীপাড়া, এফ ব্লক ও পূর্ব লাইল্যাঘোনা পুরোপুরি পানিতে তলিয়ে গেছে। এছাড়া সাজেক, মারিশ্যা, বঙ্গলতলী, রূপকারী, খেদারমারা, বাঘাইছড়ি, সারোয়াতলী ও আমতলী ইউনিয়নের বিভিন্ন নিম্নাঞ্চলও প্লাবিত হয়েছে।

জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, টানা বর্ষণে পাহাড়ধসের ঝুঁকি এবং বন্যা পরিস্থিতির কারণে জেলায় ২০৪টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এর মধ্যে বর্তমানে ৪৪টি আশ্রয়কেন্দ্রে মোট ৪ হাজার ১৬৬ জন আশ্রয় নিয়েছেন। শুধু বাঘাইছড়ি উপজেলাতেই প্রায় আড়াই হাজার পানিবন্দি মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছেন। তাদের জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রতিদিন তিন বেলা খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

এদিকে জেলায় এখন পর্যন্ত ৯৭টি স্থানে পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার সকালে রাঙামাটি-চট্টগ্রাম সড়কের সাপছড়ি এলাকায় পাহাড়ধসের মাটি সড়কে পড়ে যাওয়ায় কিছু সময়ের জন্য যান চলাচল বন্ধ ছিল।

অপরদিকে, দীঘিনালা-সাজেক সড়কের পাঁচটি স্থানে পানি উঠে যাওয়ায় সাজেকে বেড়াতে যাওয়া পাঁচ শতাধিক পর্যটক দ্বিতীয় দিনের মতো সেখানে আটকা পড়েছেন।

বন্যা পরিস্থিতির কারণে দ্বিতীয় দিনের মতো জেলার সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদানও বন্ধ রয়েছে। কাপ্তাই উপজেলার আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা দুর্গত মানুষের মধ্যে বিজিবি জোনের পক্ষ থেকে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

এদিকে বুধবার (৮ জুলাই) রাতে পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল জেলার বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি আশ্রয় নেওয়া মানুষদের ধৈর্য ধরে পরিস্থিতি মোকাবিলার আহ্বান জানান।

জেবি/জেএইচআর

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD