তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, নিম্নাঞ্চলে ঢুকছে পানি

টানা কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে আবারও ফুলে-ফেঁপে উঠেছে তিস্তা নদী। পানির উচ্চতা বাড়তে থাকায় নীলফামারীর তিস্তা তীরবর্তী বিভিন্ন নিম্নাঞ্চলে ইতোমধ্যে পানি প্রবেশ শুরু করেছে। এতে নদীপাড়ের বাসিন্দাদের মধ্যে বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।
বিজ্ঞাপন
সোমবার (১৩ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টায় নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানির সমতল রেকর্ড করা হয় ৫২ দশমিক ১৮ সেন্টিমিটার। সেখানে বিপৎসীমা নির্ধারিত রয়েছে ৫২ দশমিক ১৫ সেন্টিমিটার। অর্থাৎ ওই সময় নদীর পানি বিপৎসীমার ৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল।
পানির উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই, খগাখড়িবাড়ী, টেপাখড়িবাড়ী, খালিসা চাপানী, ঝুনাগাছ চাপানী ও গয়াবাড়ী ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলে পানি ঢুকতে শুরু করেছে। একই সঙ্গে জলঢাকা উপজেলার গোলমুন্ডা, ডাউয়াবাড়ী ও শৌলমারী ইউনিয়নের নিচু এলাকাগুলোতেও নদীর পানি প্রবেশ করছে।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
ডিমলা টেপাখড়িবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম সাহিন বলেন, তিস্তার পানি বৃদ্ধি পেয়ে নিম্নাঞ্চলে প্রবেশ করতে শুরু করেছে।
ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী বলেন, সন্ধ্যা ৬টায় তিস্তার পানি বিপৎসীমার ৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। রাতে পানি আরও বাড়তে পারে। তবে, সকালে নেমে যাবে।
এদিকে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের তথ্যের বরাত দিয়ে লালমনিরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সুনীল কুমার জানিয়েছেন, আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে নীলফামারী, লালমনিরহাট, রংপুর ও কুড়িগ্রাম জেলার নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলের কোথাও কোথাও স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে। একই সঙ্গে যেসব এলাকায় ইতোমধ্যে পানি প্রবেশ করেছে, সেখানে বন্যা পরিস্থিতির আরও কিছুটা অবনতি হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।
বিজ্ঞাপন








