ফেসবুক পোস্টে দিয়ে এনসিপির পদ ছাড়ার ঘোষণা

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলা শাখার যুগ্ম সদস্য সচিব ইব্রাহিম মাহমুদ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়ে দলীয় পদ ও সাংগঠনিক কার্যক্রম থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন। তার এ ঘোষণাকে ঘিরে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত এক পোস্টে ইব্রাহিম মাহমুদ জানান, ব্যক্তিগত ও নীতিগত কারণ বিবেচনায় তিনি জাতীয় নাগরিক পার্টির কুলাউড়া উপজেলা শাখার যুগ্ম সদস্য সচিবের দায়িত্ব এবং দলের সব ধরনের সাংগঠনিক কার্যক্রম থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করছেন।
পোস্টে তিনি দলের নেতা-কর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। পাশাপাশি এনসিপির ভবিষ্যৎ কার্যক্রম ও সাফল্যের জন্য শুভকামনাও জানান।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
তবে ইব্রাহিম মাহমুদের এই ঘোষণার বিষয়ে ভিন্ন বক্তব্য দিয়েছে এনসিপির স্থানীয় নেতৃত্ব। কুলাউড়া উপজেলা শাখার সদস্য সচিব মাহবুব জামান শিহাব সাংবাদিকদের বলেন, ইব্রাহিম মাহমুদকে কিছুদিন আগে দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছিল।
বিজ্ঞাপন
তার দাবি, দলীয় গঠনতন্ত্র অনুযায়ী এখন পর্যন্ত ইব্রাহিম মাহমুদ লিখিতভাবে কোনো পদত্যাগপত্র জমা দেননি। শুধুমাত্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দিয়ে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন।
মাহবুব জামান শিহাব আরও বলেন, ফেসবুকে দেওয়া এই পোস্ট মূলত আলোচনায় আসার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে তাদের ধারণা। যেহেতু দলের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো পদত্যাগপত্র পৌঁছায়নি, তাই সাংগঠনিকভাবে বিষয়টি এখনো বিবেচনাধীন রয়েছে।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
এদিকে ইব্রাহিম মাহমুদের ঘোষণার পর স্থানীয় পর্যায়ে এনসিপির নেতাকর্মীদের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে নানা আলোচনা চলছে। তবে দলীয়ভাবে তার পদত্যাগ গ্রহণ করা হয়েছে কি না, সে বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি।
বিজ্ঞাপন
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে রাজনৈতিক অবস্থান বা সিদ্ধান্ত জানানোর মাধ্যম হিসেবে অনেক নেতা ব্যবহার করলেও দলীয় গঠনতন্ত্র অনুযায়ী আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়াই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হিসেবে বিবেচিত হয়। তাই ইব্রাহিম মাহমুদের পদত্যাগ কার্যকর হয়েছে কি না, সেটি নির্ভর করবে এনসিপির সাংগঠনিক সিদ্ধান্তের ওপর।








