কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে রিপন মিয়ার বিরুদ্ধে মামলা

নেত্রকোণায় আলোচিত কনটেন্ট নির্মাতা রিপন মিয়ার বিরুদ্ধে এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) রাতে নেত্রকোণা মডেল থানায় মামলাটি করেন। মামলায় একমাত্র আসামি করা হয়েছে রিপন মিয়াকে।
বিজ্ঞাপন
নেত্রকোণা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল খায়েন জানান, ভুক্তভোগী স্কুল-ছাত্রীর বাবা বাদি হয়ে মামলাটি করেছেন। মামলায় রিপন মিয়াকেসহ অজ্ঞাত আরো ৮ জনকে আসামী করা হয়েছে। এখন নাগাদ রিপন মিয়াকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। তবে তাকে ধরতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।
ওসি আবুল খায়ের জানান, এর আগে এই ঘটনা নিয়ে গত সোমবার রাতে স্থানীয়ভাবে একটি বাজারে সালিস বসে। সালিসে রিপন মিয়াকে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা ও এলাকাছাড়ার সিদ্ধান্ত দেয়া হয়। এই সালিসের বেশ কিছু ভিডিও ক্লিপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এর পরেই বিষয়টি পুলিশের নজরে আসে।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
স্থানীয় ও মেয়েটির পরিবারের অভিযোগ, শনিবার সন্ধ্যার একটু পরে বাড়ির উঠানে রান্নাকরার সময় রিপন জোর করে পাশের জঙ্গলে নিয়ে ছাত্রীটিকে ধর্ষণ করেন। ঘটনার সময় ছাত্রীটির বাবা ও মা দুইজনই বাড়ির বাইরে কাজে ছিলেন। ছাত্রীটির চিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে গেলে পালিয়ে যায় রিপন। ঘটনা এলাকায় প্রকাশ পেলে সোমবার রাতে সালিস হয়। সালিসে রিপন স্বীকারোক্তি দেয়ার পর ৫ লাখ টাকা জরিমানা ও এলাকা ছাড়ার সিদ্ধান্ত দেয়া হয়।
অন্যদিকে রিপন মিয়ার স্ত্রী তার স্বামীর বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি দাবি করেন, পরিকল্পিতভাবে তার স্বামীকে ফাঁসানো হয়েছে। একটি গাছের নিচে কিশোরীর সঙ্গে অল্প সময় কথা বলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে তাকে অন্যায়ভাবে অভিযুক্ত করা হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। একই সঙ্গে তিনি ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, ভুক্তভোগীর ডাক্তারি পরীক্ষা এবং ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের দাবি জানান।








