Logo

ফজরের নামাজে সেজদারত অবস্থায় ইমামের মৃত্যু

profile picture
উপজেলা প্রতিনিধি
পটুয়াখালী সদর, পটুয়াখালী
১৭ আগস্ট, ২০২৬, ১৫:৫৫
ফজরের নামাজে সেজদারত অবস্থায় ইমামের মৃত্যু
ছবি: সংগৃহীত

পটুয়াখালীর সদর উপজেলায় ফজরের নামাজ আদায়ের সময় সেজদারত অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন হাফেজ মুহাম্মদ আতাউল্লাহ। সোমবার (১৭ আগস্ট) ভোরে সদর উপজেলার মৌকরন ইউনিয়নের শ্রীরামপুর বাজার মসজিদে এ হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটে। তার মৃত্যুতে এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

বিজ্ঞাপন

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো সোমবার ভোরেও ফজরের নামাজ আদায়ের জন্য শ্রীরামপুর বাজার মসজিদে যান হাফেজ মুহাম্মদ আতাউল্লাহ। তিনি প্রায় দেড় বছর ধরে ওই মসজিদে ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।

ফজরের সুন্নত নামাজের দ্বিতীয় রাকাতে সেজদায় যাওয়ার পর দীর্ঘ সময় পার হলেও তিনি আর ওঠেননি। বিষয়টি মুসল্লিদের নজরে এলে তারা কাছে গিয়ে তাকে ডাকাডাকি করেন। একপর্যায়ে তারা বুঝতে পারেন, সেজদারত অবস্থাতেই ইমাম আতাউল্লাহর মৃত্যু হয়েছে।

আতাউল্লাহ পটুয়াখালীর জামিয়া আশরাফিয়া মাদ্রাসা থেকে পড়াশোনা সম্পন্ন করেন। তার গ্রামের বাড়ি দুমকি উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের তালুকদার বাজারসংলগ্ন এলাকায়। তিনি মাওলানা আব্দুস সালামের একমাত্র সন্তান।

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

মৃত্যুকালে তিনি দুই সন্তান, স্বজন ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তার আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবার, মুসল্লি ও স্থানীয়দের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

স্থানীয়রা জানান, হাফেজ আতাউল্লাহ ছিলেন শান্ত, সজ্জন ও ভদ্র স্বভাবের মানুষ। সবার সঙ্গে হাসিমুখে কথা বলতেন। ধর্মীয় দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি স্থানীয় মানুষের সঙ্গে তার ছিল আন্তরিক সম্পর্ক। তার এমন আকস্মিক মৃত্যুতে শোকাহত এলাকাবাসী।

বিজ্ঞাপন

আতাউল্লাহর মামাতো ভাই মহিবুল্লাহ বলেন, পরিবারের একমাত্র ছেলেকে হারিয়ে স্বজনরা শোকে ভেঙে পড়েছেন। তার এমন আকস্মিক মৃত্যু কেউ মেনে নিতে পারছেন না।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, সোমবার জোহরের নামাজের পর দুমকীর শ্রীরামপুর বাজার মসজিদের সামনে আতাউল্লাহর প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। পরে আসরের নামাজের পর নিজ বাড়িতে দ্বিতীয় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।

জেবি/আরএক্স

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD