মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় আনন্দে ভাসছে ঠাকুরগাঁও

দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন ঠাকুরগাঁওয়ের কৃতী সন্তান ও বিএনপির সাবেক মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তার এ অর্জনে নিজ জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে নেমে এসেছে আনন্দের জোয়ার।
বিজ্ঞাপন
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) বিকেলে জাতীয় সংসদে অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ২৫৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর ঠাকুরগাঁও জেলা শহরসহ বিভিন্ন এলাকায় বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে উচ্ছ্বাস দেখা যায়। জেলা বিএনপির কার্যালয়সহ বিভিন্ন স্থানে আনন্দ মিছিল, মিষ্টি বিতরণ ও একে অপরকে শুভেচ্ছা জানাতে দেখা গেছে। অনেকে এ ঘটনাকে ঠাকুরগাঁওবাসীর জন্য ঐতিহাসিক ও গর্বের মুহূর্ত হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমিন বলেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়া ঠাকুরগাঁওবাসীর জন্য অত্যন্ত গর্ব ও আনন্দের বিষয়। তার দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবে এ অর্জনকে দেখছেন তারা।
বিজ্ঞাপন
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. পয়গাম আলী বলেন, প্রিয় নেতা রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার খবরে ঠাকুরগাঁও আনন্দে ভাসছে। মির্জা ফখরুলের নেতৃত্ব, প্রজ্ঞা ও অভিজ্ঞতায় দেশ আরও সমৃদ্ধ হবে—এটাই তাদের প্রত্যাশা।
পৌর বিএনপির সভাপতি মো. শরিফুল ইসলাম শরীফ বলেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর শুধু বিএনপির নেতা নন, তিনি ঠাকুরগাঁওয়ের গর্ব। তার রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার মধ্য দিয়ে জেলার মর্যাদা আরও উজ্জ্বল হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
ঠাকুরগাঁও প্রেস ক্লাবের সভাপতি লুৎফর রহমান মিঠু বলেন, ঠাকুরগাঁওয়ের একজন কৃতী সন্তান রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নির্বাচিত হওয়া নিঃসন্দেহে জেলার মানুষের জন্য আনন্দ ও গর্বের বিষয়। নতুন দায়িত্বে তার সফলতা কামনা করেন তিনি।
জেলা বিএনপির শীর্ষ নেতারা বলেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এ অর্জনে পুরো ঠাকুরগাঁও আনন্দিত। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে অর্জিত অভিজ্ঞতা ও প্রজ্ঞা রাষ্ট্র পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তারা আশাবাদী।
এদিকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর ঠাকুরগাঁও জেলা শহরসহ বিভিন্ন উপজেলায় মিষ্টি বিতরণ ও আনন্দ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। পাশাপাশি নেতাকর্মী ও সমর্থকদের একে অপরকে শুভেচ্ছা জানাতেও দেখা যায়।








