পুলিশি ‘হয়রানি’র অভিযোগে মতলব উত্তরে সিএনজি চলাচল বন্ধ

চাঁদপুরের মতলব উত্তরে পুলিশের ‘হয়রানিমূলক’ মামলা, সিএনজিচালিত অটোরিকশার কাগজপত্র নবায়নে সুযোগ না দেওয়া এবং বিভিন্ন সরকারি ডিউটিতে গাড়ি ব্যবহারের পর ভাড়া পরিশোধ না করার অভিযোগে কর্মবিরতি পালন করছেন সিএনজি অটোরিকশার চালক ও মালিকরা।
বিজ্ঞাপন
রবিবার (২৩ আগস্ট) সকাল থেকে উপজেলার বিভিন্ন রুটে সিএনজি অটোরিকশা চলাচল বন্ধ রেখে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করছেন তারা। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ যাত্রী, চাকরিজীবী ও শিক্ষার্থীরা।
অটোরিকশাচালক সিরাজ মিয়া বলেন, সরকারি বা প্রশাসনিক জরুরি ডিউটির কথা বলে পুলিশ প্রায়ই সিএনজি অটোরিকশা নিয়ে যায়। কিন্তু ডিউটি শেষে চালকদের কোনো ভাড়া কিংবা জ্বালানি খরচ দেওয়া হয় না। দীর্ঘদিন ধরে এ ধরনের পরিস্থিতি চলতে থাকায় হয়রানির প্রতিবাদে তারা কর্মবিরতিতে যেতে বাধ্য হয়েছেন।
আরেক চালক মানিক মিয়া বলেন, অনটেস্ট গাড়ির কাগজপত্র করার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে না। চালকদের বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স থাকা সত্ত্বেও ট্রাফিক ও থানা পুলিশ মামলা দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। কোনো কারণে গাড়ির কাগজপত্র জব্দ করা হলে তা নবায়ন বা ছাড়িয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রেও প্রয়োজনীয় সময় ও সুযোগ দেওয়া হচ্ছে না বলে দাবি করেন তিনি।
বিজ্ঞাপন
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
মতলব উত্তর অটোরিকশা চালক ও মালিক সমিতির সভাপতি আব্দুল আউয়াল ফরাজী বলেন, আমরা নিয়ম মেনে সড়কে গাড়ি চালাতে চাই। কিন্তু বৈধ কাগজপত্র ও লাইসেন্স থাকা সত্ত্বেও যেভাবে মামলা দেওয়া হচ্ছে এবং ডিউটির নামে গাড়ি ব্যবহার করে ভাড়া দেওয়া হচ্ছে না, তাতে আমাদের জীবিকা নির্বাহ করা কঠিন হয়ে পড়েছে। হয়রানি বন্ধসহ আমাদের দাবিগুলো মানা না হলে কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।
কর্মবিরতির কারণে সকাল থেকেই মতলব উত্তরের প্রধান সড়ক ও অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন রুটে সিএনজি অটোরিকশা চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ যাত্রী, পথচারী, চাকরিজীবী ও শিক্ষার্থীরা। গন্তব্যে পৌঁছাতে অনেকে বিকল্প যানবাহনের ওপর নির্ভর করছেন এবং অতিরিক্ত ভাড়া গুনতে হচ্ছে।
বিজ্ঞাপন
তবে পুলিশের বিরুদ্ধে ওঠা হয়রানির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মতলব সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার জাবীর হুসনাইন সানীব। তিনি বলেন, আমরা কেন তাদের হয়রানি করতে যাব? আমরা শুধু ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী আইন বাস্তবায়ন করছি।








