টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেলেন দিনাজপুরের মিম

২০২৬ সালের এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষায় কৃতিত্বপূর্ণ ফল অর্জন করে দিনাজপুরের মুখ উজ্জ্বল করেছেন শহরের কসবা এলাকার কৃতি সন্তান সাজনিন আহমেদ মিম। প্রকাশিত মেধা তালিকায় তিনি টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন। তাঁর এই সাফল্যে পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
ছোটবেলা থেকেই পড়াশোনায় মেধার স্বাক্ষর রেখে আসছেন সাজনিন আহমেদ মিম। মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় সাফল্য অর্জনের আগে তাঁর শিক্ষাজীবনেও রয়েছে একাধিক উল্লেখযোগ্য কৃতিত্ব।
২০১৬ সালে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পঞ্চম শ্রেণি) বৃত্তি পরীক্ষায় বোর্ডে প্রথম স্থান অর্জন করেন তিনি। এরপর ২০১৯ সালে অষ্টম শ্রেণির জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় মেধা তালিকায় উত্তীর্ণ হন। ২০২২ সালের মাধ্যমিক (এসএসসি) পরীক্ষায় জিপিএ-৫ এবং ২০২৪ সালের উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) পরীক্ষাতেও জিপিএ-৫ অর্জন করেন মিম।
সাজনিন আহমেদ মিম দিনাজপুর পৌরসভার ১২ নম্বর ওয়ার্ডের কসবা এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা শামীম আহমেদের কন্যা। তাঁর বাবা শামীম আহমেদ এলাকায় স্বনামধন্য ও কৃতী ফুটবল খেলোয়াড় হিসেবে পরিচিত। ক্রীড়াক্ষেত্রে অবদানের পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গেও সক্রিয়ভাবে যুক্ত রয়েছেন।
বিজ্ঞাপন
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
বর্তমানে শামীম আহমেদ দিনাজপুর পৌরসভার ১২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হিসেবে স্থানীয় মানুষের কাছে পরিচিত মুখ।
মিমের মেডিকেলে ভর্তির সুযোগ পাওয়ার খবরে কসবা এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে আনন্দ ছড়িয়ে পড়ে। পিতা শামীম আহমেদের ক্রীড়াক্ষেত্রের পরিচিতি এবং কন্যা মিমের শিক্ষাজীবনের ধারাবাহিক সাফল্যে এলাকাবাসী গর্বিত বলে জানান স্থানীয়রা।
বিজ্ঞাপন
মিমের এই সাফল্যে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, শুভানুধ্যায়ী ও স্বজনরা তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং তাঁর উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেছেন।
সচেতন মহলের প্রত্যাশা, চিকিৎসাশাস্ত্রে শিক্ষাজীবন সফলভাবে শেষ করে সাজনিন আহমেদ মিম একজন আদর্শ, দক্ষ ও মানবিক চিকিৎসক হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলবেন। ভবিষ্যতে তিনি তাঁর নিজ এলাকা, দেশ ও মানুষের কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন—এমন প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেছেন শুভাকাঙ্ক্ষীরা।








