এসেছিলেন মামলার হাজিরায়, হোটেলে মিললো নারীর গলাকাটা মরদেহ

কক্সবাজারে স্বামীর সঙ্গে চলমান মামলার হাজিরা দিতে এসে কুলছুমা নামে এক নারী একটি আবাসিক হোটেলে উঠেছিলেন। পরে ওই হোটেলকক্ষ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনার সময় কুলছুমার সঙ্গে থাকা এক যুবক পালিয়ে গেলেও কক্ষে তার দুই বছর বয়সি সন্তান ছিল।
বিজ্ঞাপন
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাতে কক্সবাজার শহরের বাস টার্মিনাল এলাকার স্ট্যান্ড পার্ক রিসোর্টে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
হোটেলের নিবন্ধন খাতায় নিহত নারীর নাম কুলছুমা, বাবার নাম আলম এবং ঠিকানা ঈদগাঁওয়ের চাঁদেরঘোনা উল্লেখ করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, কুলছুমার স্বামীর নাম হারুন। তবে ঘটনার সময় তার সঙ্গে থাকা যুবকটি স্বামী নন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, স্বামীর সঙ্গে কুলছুমার একটি মামলা চলমান ছিল। ওই মামলায় হাজিরা দিতে বুধবার তিনি কক্সবাজারে আসেন। পরে বাস টার্মিনাল এলাকার স্ট্যান্ড পার্ক রিসোর্টে ওঠেন। এ সময় তার সঙ্গে দুই বছর বয়সি সন্তান ও এক যুবক ছিলেন।
প্রাথমিকভাবে পুলিশের ধারণা, হোটেলকক্ষে অবস্থানকালে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে কুলছুমার মৃত্যু হয়। ঘটনার পর তার সঙ্গে থাকা যুবকটি দ্রুত হোটেল থেকে পালিয়ে যান। তবে কক্ষে থেকে যায় শিশুটি।
বিজ্ঞাপন
আরও পড়ুন
ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী বলেন, নিহত নারীর সঙ্গে থাকা যুবক তার স্বামী নন। কুলছুমার স্বামী হারুন এবং তাদের বাড়ি ঈদগাঁওয়ের চাঁদেরঘোনা এলাকায়। স্বামীর সঙ্গে চলমান মামলার হাজিরা দিতে তিনি কক্সবাজারে এসেছিলেন।
বিজ্ঞাপন
পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, নিহত নারীর পরিবারের সদস্যরা ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিকে চেনেন না। হত্যাকাণ্ডের কারণ এবং জড়িত ব্যক্তির পরিচয় নিশ্চিত করতে তদন্ত চলছে। অভিযুক্তকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে।








