কক্সবাজার ছাত্রলীগের ৮৩৭ সদস্যের কমিটি ঘোষণা, ১৯২ জনই সহসভাপতি

কার্যক্রম নিষিদ্ধ বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কক্সবাজার জেলা শাখার ৮৩৭ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। কমিটিতে সহসভাপতি পদেই রয়েছেন ১৯২ জন। বিশাল আকারের এই কমিটি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা-সমালোচনা চলছে।
বিজ্ঞাপন
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বিকেল ৩টার দিকে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসাইন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনানের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এ কমিটি প্রকাশ করা হয়।
এর আগে ২০২০ সালের ২ নভেম্বর কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের ১৪ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছিল। তৎকালীন কেন্দ্রীয় সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য ওই কমিটির অনুমোদন দেন। এক বছরের মধ্যে কমিটি পূর্ণাঙ্গ করার কথা থাকলেও নির্ধারিত সময়ে তা করা সম্ভব হয়নি।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
প্রকাশিত পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে সভাপতি হিসেবে এস এম সাদ্দাম হোসাইন এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আবু মোহাম্মদ মারুফ আদনান বহাল রয়েছেন। কমিটির সদস্যসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮৩৭ জনে। সাবেক ও বর্তমান নেতা-কর্মীদের অনেকে বলছেন, সংগঠন প্রতিষ্ঠার পর এত বড় কমিটি আর হয়নি।
কমিটিতে পদ বণ্টনের হিসাবে সহসভাপতি পদে রয়েছেন ১৯২ জন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ২২ জন এবং সাংগঠনিক সম্পাদক ২০ জন। এ ছাড়া বিষয়ভিত্তিক সম্পাদক ও উপসম্পাদক পদে ২৬৭ জন, সহসম্পাদক পদে ১৮০ জন এবং সদস্য পদে ১৭৫ জনকে রাখা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
ছাত্রলীগের একাধিক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, কমিটিতে থাকতে আগ্রহী কাউকে বঞ্চিত করা হয়নি; সবাইকে কোনো না কোনো পদ দেওয়া হয়েছে। তবে এত বড় কমিটিতে পদ বণ্টনের ক্ষেত্রে কী ধরনের মানদণ্ড অনুসরণ করা হয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে বলে জানান তাঁরা।
প্রকাশিত কমিটি নিয়ে কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এস এম সাদ্দাম হোসাইন ও সাধারণ সম্পাদক মারুফ আদনানের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
কার্যক্রম নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের জেলা শাখার এত বড় কমিটিকে কীভাবে মূল্যায়ন করা হচ্ছে এবং একে নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে দেখা হচ্ছে কি না, তা জানতে কক্সবাজার জেলা পুলিশের ফোকাল পয়েন্ট অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম) অহিদুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। বারবার ফোন করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।
জেলার পুলিশ সুপার এ এন এম সাজেদুর রহমানকে হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠানো হলেও তাঁর কোনো জবাব পাওয়া যায়নি।








