Logo

মূলধারার সাংবাদিকদের আমন্ত্রণ না জানানোয় মেহেরপুরে ক্ষোভ

profile picture
জেলা প্রতিনিধি
মেহেরপুর
১৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১৫:২৭
মূলধারার সাংবাদিকদের আমন্ত্রণ না জানানোয় মেহেরপুরে ক্ষোভ
ছবি: সংগৃহীত

মেহেরপুরে মূলধারার গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকদের আমন্ত্রণ না জানিয়ে নামসর্বস্ব কয়েকটি গণমাধ্যমের প্রতিনিধিদের নিয়ে সেমিনার আয়োজনের অভিযোগ উঠেছে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে সেমিনার বর্জন করেছে মেহেরপুর রিপোর্টার্স ক্লাব ও মেহেরপুর জেলা প্রেসক্লাব।

বিজ্ঞাপন

বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকালে জেলা প্রশাসকের মিনি সম্মেলন কক্ষে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। আয়োজনে সাংবাদিকদের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে প্রশ্ন তুলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন বাদ পড়া সাংবাদিকেরা।

অভিযোগ অনুযায়ী, মেহেরপুরে বিভিন্ন মূলধারার গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকদের বাদ দিয়ে কয়েকটি নামসর্বস্ব গণমাধ্যমের প্রতিনিধিদের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়। এমনকি সরকারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ বেতারের সংবাদদাতাকেও সেমিনারে অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। জেলার অল্প কয়েকজন সাংবাদিক ও প্রেসক্লাবের সদস্যকে প্রভাবিত করে এ আয়োজন করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

এ ছাড়া গণমাধ্যমের প্রতিনিধি না হয়েও সাংবাদিক পরিচয়ে সেমিনারে অংশ নেওয়া এবং স্কুল-কলেজের পাঠদান কার্যক্রম বাদ দিয়ে শিক্ষকদের অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার অভিযোগও সামনে এসেছে।

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

মেহেরপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি মাহাবুবুল হক পোলেন বলেন, সেমিনারে অংশ নেওয়া অনেকেই নিজেদের মূলধারার গণমাধ্যমের সাংবাদিক হিসেবে পরিচয় দিলেও তাঁদের সংবাদ সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয় না। তাঁরা নিয়মিত সংবাদ সংগ্রহের মাঠেও থাকেন না। বিভিন্ন সেমিনার ও প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতেই তাঁদের দেখা যায়। অথচ মেহেরপুর রিপোর্টার্স ক্লাবে একাধিক মূলধারার গণমাধ্যমের সাংবাদিক থাকা সত্ত্বেও তাঁদের আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।

ঘটনাটি নিয়ে অসন্তোষের পর খুলনার অতিরিক্ত তথ্য কর্মকর্তা মেহেদী হাসান মূলধারার সাংবাদিকদের সেমিনারে অন্তর্ভুক্ত করতে না পারায় দুঃখ প্রকাশ করেন এবং ক্ষমা চান।

বিজ্ঞাপন

সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন খুলনার অতিরিক্ত তথ্য কর্মকর্তা মেহেদী হাসান। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মেহেরপুরের জেলা প্রশাসক শিল্পী রানী রায়। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) জামিনুর রহমান খান এবং জেলা তথ্য কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মাসুদসহ অন্যরা।

সাংবাদিকদের আমন্ত্রণ ও অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে কী প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছিল, তা নিয়ে এ ঘটনায় প্রশ্ন উঠেছে। তবে অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে।

জেবি/আরএক্স

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD