ভোরের কুয়াশা ও হিমেল হাওয়ায় শীতের আগমনী বার্তা

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলায় ভোরের কুয়াশা, শিশিরভেজা প্রকৃতি ও হিমেল হাওয়ায় শীতের আগমনী আভাস মিলছে। মাঠ-প্রান্তরের সবুজ ঘাস আর ধানের পাতায় জমে থাকা শিশির জানান দিচ্ছে ঋতু পরিবর্তনের।
বিজ্ঞাপন
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত ১৫ থেকে ২০ দিন ধরে সন্ধ্যা ৬টা থেকে ৭টার পর চুনারুঘাট পৌরসভাসহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ঘাস ও ধানের পাতায় শিশির জমতে দেখা যাচ্ছে। ভোরে হালকা কুয়াশায় দূরের গাছপালা ও পথঘাট আবছা হয়ে থাকে। সূর্যের আলো ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে কুয়াশা কেটে গিয়ে প্রকৃতি ফিরে পায় তার চেনা রূপ।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, দিনের বেলায় তাপমাত্রা ৩০ থেকে ৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকলেও সন্ধ্যার পর থেকে রাতে তা ২৬ থেকে ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসে। ফলে দিনের উষ্ণতার পাশাপাশি ভোর ও রাতের দিকে ঠান্ডার অনুভূতি বাড়ছে।
চুনারুঘাট পৌরসভার রিকশাচালক রূমন মিয়া বলেন, গত কয়েক দিন ধরেই রাতের শেষভাগে কুয়াশার আভাস পাওয়া যাচ্ছে। ভোরে ঘুম ভাঙতেই চারপাশে ঠান্ডা ঠান্ডা অনুভূতি, বাতাসেও যেন শীতের মৃদু পরশ।
বিজ্ঞাপন
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
উপজেলার জুড়িয়া এলাকার কৃষক রঞ্জিত দাস বলেন, শীত এখনো পুরোপুরি আসেনি। তবে ভোরের কুয়াশা আর রাতের ঠান্ডা জানান দিচ্ছে, শীতের দিনগুলো ধীরে ধীরে এগিয়ে আসছে।
চুনারুঘাট পৌরসভার বড়াইল এলাকার বাসিন্দা শিক্ষক বাবুল শীল বলেন, সকালে হালকা কুয়াশার সঙ্গে শীতল বাতাসে প্রকৃতিতে ধীরে ধীরে শীতের আবহ তৈরি হচ্ছে। ভোরের পরিবেশে এই পরিবর্তন এখন বেশ অনুভূত হচ্ছে।
বিজ্ঞাপন
দিনের আলোয় উষ্ণতা থাকলেও ভোরের কুয়াশা, শিশিরভেজা ঘাস ও ধানের পাতায় জমে থাকা জলকণা প্রকৃতিতে শীতের আগমনী বার্তা দিচ্ছে। রাতের ঠান্ডা বাতাস আর সকালের স্নিগ্ধ কুয়াশায় চুনারুঘাটের প্রকৃতিতে ধীরে ধীরে বদলের ছাপ স্পষ্ট হচ্ছে।
এ বিষয়ে চুনারুঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ গালিব চৌধুরী বলেন, পাহাড়ঘেঁষা এলাকা হওয়ায় এ অঞ্চলে অনেক সময় শীতের আভাস আগেভাগেই অনুভূত হয়। বর্তমানে প্রকৃতিতে শীতের মৃদু আমেজ দেখা দিচ্ছে। শীতের প্রকোপ বাড়লে শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে প্রয়োজনীয় শীতবস্ত্রের প্রস্তুতি থাকবে বলেও জানান তিনি।








