ডিমলার সীমান্তে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় ১২০ বিজিবি সদস্য

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার সীমান্তবর্তী পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তা জোরদার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। সীমান্ত থেকে আট কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থিত ১১টি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় চার প্লাটুনে মোট ১২০ জন বিজিবি সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন।
বিজ্ঞাপন
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) সন্ধ্যার পর রংপুর ব্যাটালিয়ন (৫১ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাজিউর রহমান ডিমলার গয়াবাড়ি ইউনিয়নের কালীবাড়ি কেন্দ্রীয় মন্দির, বড় হরিসভা পাড়া ও ঝুমঝুম পাড়াসহ কয়েকটি পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি মণ্ডপগুলোর নিরাপত্তাব্যবস্থা, পূজার পরিবেশ ও সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন।
বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, ডিমলা উপজেলার সীমান্তবর্তী ১১টি পূজামণ্ডপ রংপুর ব্যাটালিয়নের (৫১ বিজিবি) থানারহাট কোম্পানির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার অন্তর্ভুক্ত। এসব মণ্ডপের নিরাপত্তায় নিয়মিত টহল, পরিদর্শন ও গোয়েন্দা নজরদারি চালানো হচ্ছে।
৫১ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাজিউর রহমানের নেতৃত্বে এ কার্যক্রমে থানারহাট বিজিবি ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার রফিকুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। গোয়েন্দা নজরদারি ও সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রয়েছেন এসআইপি সিপাহি শিব্বির আহম্মদ।
বিজ্ঞাপন
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাজিউর রহমান বলেন, “শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সীমান্তবর্তী এলাকার পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ৫১ বিজিবি সতর্কতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে। পূজামণ্ডপগুলোর সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে, যাতে সবাই শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে ধর্মীয় উৎসব উদ্যাপন করতে পারেন।”
তিনি আরও বলেন, সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা বজায় রাখা এবং যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিজিবি সদস্যরা দায়িত্বে নিয়োজিত রয়েছেন। ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখতে তিনি সবার সহযোগিতা কামনা করেন।
বিজ্ঞাপন
গয়াবাড়ি ইউনিয়নের শুটিবাড়ি বাজার সর্বজনীন দুর্গাপূজামণ্ডপের সভাপতি শ্রী কনাই লাল কর্মকার বলেন, দুর্গাপূজা উপলক্ষে বিজিবি সদস্যদের তৎপরতা ও পূজামণ্ডপ পরিদর্শন তাঁদের মধ্যে নিরাপত্তার বিষয়ে আস্থা বাড়িয়েছে। সব ধর্মের মানুষ যেন মিলেমিশে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উৎসব উদ্যাপন করতে পারেন, সে জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদেরও সহযোগিতা প্রয়োজন।
সীমান্তবর্তী পূজামণ্ডপগুলোতে বিজিবির এই তৎপরতাকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা। তাঁদের প্রত্যাশা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সতর্কতা ও স্থানীয় মানুষের পারস্পরিক সহযোগিতায় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণভাবে উদ্যাপিত হবে এবং ধর্মীয় সম্প্রীতির পরিবেশ অটুট থাকবে।








