ব্রাহ্মণপাড়ায় রাসায়নিক দিয়ে কলা পাকানোর অভিযোগ

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজারে রাসায়নিক ব্যবহার করে কলা পাকিয়ে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। এসব কলা কিনে প্রতিদিনই খাচ্ছেন উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
বিজ্ঞাপন
শিশু থেকে শুরু করে বয়স্ক ব্যক্তিরাও নিয়মিত কলা খাওয়ায় বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সচেতন ক্রেতারা। তবে বাজারে বিক্রি হওয়া কলায় রাসায়নিক ব্যবহারের অভিযোগের সত্যতা এবং তা স্বাস্থ্যের জন্য কতটা ঝুঁকিপূর্ণ, তা পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।
কলা পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ ও সহজলভ্য একটি জনপ্রিয় ফল। অনেক পরিবার প্রতিদিনই ফলটি কিনে থাকে। তবে প্রাকৃতিকভাবে পাকা কলা ও কৃত্রিমভাবে পাকানো কলা সাধারণ ক্রেতাদের পক্ষে সব সময় শনাক্ত করা সহজ নয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, এ সুযোগে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী রাসায়নিক ব্যবহার করে কলা পাকিয়ে বাজারজাত করছেন। এ ধরনের অভিযোগ তদন্ত করে দায়ীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
স্থানীয় এক কলা ক্রেতা মো. আব্দুল কাদের বলেন, আমি প্রতিদিনই বাড়ির জন্য কলা কিনে নিয়ে যাই। আমার পরিবারের সবাই কলা পছন্দ করে। ছোট বাচ্চারাও কলা খায়। কিন্তু কোন কলায় রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়েছে আর কোনটি প্রাকৃতিকভাবে পেকেছে, তা বোঝার উপায় আমাদের জানা নেই। তাই কলা কিনতে গিয়ে সব সময় দুশ্চিন্তায় থাকতে হয়।
বিজ্ঞাপন
সংশ্লিষ্টদের মতে, ফল পাকানোর ক্ষেত্রে অননুমোদিত বা ক্ষতিকর রাসায়নিক ব্যবহার করা হলে তা জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। এ কারণে ফল পাকানোর প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ এবং বাজারে বিক্রি হওয়া ফলের মান যাচাই করা জরুরি। তবে ব্রাহ্মণপাড়ার বাজারে বিক্রি হওয়া কলায় কী ধরনের রাসায়নিক ব্যবহার করা হচ্ছে, তা পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত করা দরকার।
এ অবস্থায় উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজারে বিক্রি হওয়া কলার নমুনা পরীক্ষা, ফল পাকানোর প্রক্রিয়া তদারকি এবং অননুমোদিত রাসায়নিক ব্যবহারের অভিযোগ তদন্তে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করেছেন সচেতন নাগরিকেরা। পাশাপাশি নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে ব্যবসায়ীদের আইন মেনে ফল পাকানো ও বাজারজাত করার আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা।
জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় নিরাপদ ফলের সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং ভোক্তাদের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানো জরুরি। নিয়মিত বাজার তদারকি ও প্রয়োজনীয় পরীক্ষার মাধ্যমে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা গেলে ক্রেতাদের উদ্বেগ কমানোর পাশাপাশি নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার উদ্যোগ আরও কার্যকর হতে পারে।








