কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে এনসিপির পরিচ্ছন্নতা অভিযান

কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতাল পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যকর রাখতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা শাখা। সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত চলা এ কর্মসূচিতে হাসপাতালের আশপাশে জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করা হয়। পাশাপাশি মশা-মাছি নিধনে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
বিজ্ঞাপন
কর্মসূচির উদ্বোধন করেন এনসিপি কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা শাখার আহ্বায়ক শাজাহান আলী সুমন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সংগঠনটির সদর উপজেলা শাখার সদস্য সচিব।
পরিচ্ছন্নতা অভিযানে উপস্থিত ছিলেন এনসিপি কুড়িগ্রাম জেলা শাখার নারী শক্তির সদস্য সচিব মেরিনা পারভীন, জেলা শাখার মিডিয়া সেলের সদস্য ও যুগ্ম আহ্বায়ক আসাদুজ্জামান সরকার, সদর উপজেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মমিনুল হক মামুন, জাতীয় ছাত্রশক্তি কুড়িগ্রাম জেলা শাখার আহ্বায়ক জাহিদ হাসান এবং সদর উপজেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক ও পরিচ্ছন্নতা অভিযানের টিম লিডার ইয়াকুব আলী আইয়ুব।
এ ছাড়া এনসিপির বিভিন্ন আহ্বায়ক কমিটির সদস্য, নারী শক্তির নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমের কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. আ ন ম গোলাম মোহাইমেনসহ অন্যান্য স্বাস্থ্য কর্মকর্তাও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের খোঁজখবর নেন।
বিজ্ঞাপন
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
উদ্বোধনী বক্তব্যে শাজাহান আলী সুমন বলেন, আনুষ্ঠানিকভাবে পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু করা হয়েছে। এ কর্মসূচি ধারাবাহিকভাবে চালু রাখার পাশাপাশি দেশের স্বার্থে এ ধরনের উদ্যোগে সব রাজনৈতিক ও অরাজনৈতিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
কুড়িগ্রাম-২ আসনের সংসদ সদস্য আতিক মোজাহিদকে ধন্যবাদ জানিয়ে শাজাহান আলী সুমন বলেন, তাঁর আন্তরিক প্রচেষ্টায় হাসপাতালের শৃঙ্খলা কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। তাঁর উদ্যোগে দৈনিক এক হাজার টাকা মজুরিতে ছয়জন পরিচ্ছন্নতাকর্মী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া শিশু বিভাগে নতুন চিকিৎসক যোগ দিয়েছেন এবং আরও পাঁচজন চিকিৎসক নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে।
বিজ্ঞাপন
জেলা নারী শক্তির সদস্য সচিব মেরিনা পারভীন বলেন, পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি নিয়মিত চালু রাখার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানো জরুরি। হাসপাতাল নোংরা করা অনেকের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, মানুষ নিজ নিজ অবস্থান থেকে সচেতন না হলে শুধু অভিযান পরিচালনা করে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া সম্ভব নয়। হাসপাতাল পরিষ্কার রাখতে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, এ ধরনের উদ্যোগ ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা সহজ হবে এবং রোগীরা আরও উন্নত সেবা পেতে উপকৃত হবেন।








