Logo

কুড়িগ্রামে এইচএসসিতে ৯ কলেজের সব পরীক্ষার্থী অকৃতকার্য

profile picture
জেলা প্রতিনিধি
কুড়িগ্রাম
৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ১৬:০৮
কুড়িগ্রামে এইচএসসিতে ৯ কলেজের সব পরীক্ষার্থী অকৃতকার্য
ছবি: সংগৃহীত

দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের ২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষার ফলাফলে কুড়িগ্রামের ৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো পরীক্ষার্থীই উত্তীর্ণ হতে পারেননি। এসব প্রতিষ্ঠান থেকে মোট ৭০ জন পরীক্ষায় অংশ নিলেও সবাই অকৃতকার্য হয়েছেন। জেলাজুড়ে সামগ্রিক পাসের হারও ৪০ দশমিক ৭২ শতাংশে নেমে এসেছে।

বিজ্ঞাপন

দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের প্রকাশিত শূন্য শতাংশ পাসের তালিকা বিশ্লেষণে এ তথ্য পাওয়া গেছে। বোর্ডের আওতাধীন আট জেলার ৪৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো পরীক্ষার্থী পাস করতে পারেননি। এর মধ্যে একক জেলা হিসেবে কুড়িগ্রামে সর্বোচ্চ ৯টি প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

শূন্য পাসের তালিকায় থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রৌমারী উপজেলার চর শৌলমারী আদর্শ মহিলা কলেজ থেকে ২৪ জন, নাগেশ্বরী উপজেলার নাগেশ্বরী মডেল কলেজ থেকে ১৫ জন এবং রাজারহাট উপজেলার সিঙ্গার ডাবরীহাট কলেজ থেকে ১০ জন পরীক্ষায় অংশ নেন। একই উপজেলার সিঙ্গার ডাবরীর হাট বি. এল. হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজের ৬ জন, নাগেশ্বরী উপজেলার কুটি পেয়ারা ডাঙ্গা স্কুল অ্যান্ড কলেজের ৫ জন এবং চিলাখানা মডেল কলেজের ৪ জন পরীক্ষার্থীও পাস করতে পারেননি।

এ ছাড়া উলিপুর উপজেলার হযরত ফাতিমা (রা.) পৌর গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের ৩ জন, চিলমারী উপজেলার দক্ষিণ খাওরিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের ২ জন এবং রাজারহাট উপজেলার পাঙ্গারানী লক্ষ্মীপ্রিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজের একজন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে কেউই উত্তীর্ণ হননি।

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

শুধু শূন্য পাসের প্রতিষ্ঠান নয়, জেলার সামগ্রিক ফলাফলও উদ্বেগজনক। এ বছর কুড়িগ্রাম থেকে ১১ হাজার ৭২২ জন পরীক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে ৫ হাজার ৬৮৩ জন ছাত্র এবং ৬ হাজার ৩৯ জন ছাত্রী। উত্তীর্ণ হয়েছেন মোট ৪ হাজার ৭৭৩ জন। সে হিসাবে জেলায় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৪০ দশমিক ৭২ শতাংশ।

ফলাফলে ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রীরা এগিয়ে রয়েছেন। ছাত্রদের পাসের হার ৩৫ দশমিক ৯৫ শতাংশ এবং ছাত্রীদের ৪৫ দশমিক ২১ শতাংশ। এ বছর জেলায় জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১৩৬ জন। তাঁদের মধ্যে ৫৯ জন ছাত্র এবং ৭৭ জন ছাত্রী। দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন আট জেলার মধ্যে সামগ্রিক পাসের হারে কুড়িগ্রামের অবস্থান ষষ্ঠ।

বিজ্ঞাপন

শিক্ষা সংশ্লিষ্ট সচেতন মহলের মতে, বিশেষ করে চরাঞ্চল ও সীমান্তবর্তী এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে অবকাঠামোগত সংকট, অভিজ্ঞ শিক্ষকের অভাব এবং নিয়মিত তদারকি ও পাঠদানের ঘাটতি শিক্ষার্থীদের ফলাফলে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে শিক্ষা বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছেন তাঁরা।

জেবি/আরএক্স

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD