মগবাজারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস দুর্ঘটনা, ৮ শিক্ষার্থী আহত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থীদের বহনকারী ‘ক্ষণিকা’ শাটল বাস দুর্ঘটনায় অন্তত ৮ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। বুধবার সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে মহাখালী এক্সপ্রেসওয়ে থেকে নামার সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে।
বিজ্ঞাপন
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা যায়, এক্সপ্রেসওয়ে থেকে নামার সময় হঠাৎ বাসটির একটি চাকা বিস্ফোরিত হয়। এতে চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে বাসটি একটি মাইক্রোবাসকে ধাক্কা দেয়। আহত শিক্ষার্থীদের দ্রুত উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে নেওয়া হয়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবিতে দেখা যায়, ফ্লাইওভারের নিচে সড়কে বাসটির সামনের অংশ একটি কালো রঙের মাইক্রোবাসের সঙ্গে সংঘর্ষে দুমড়ে-মুচড়ে গেছে। বাসের সামনের গ্লাস ভেঙে যায় এবং একটি দরজা ক্ষতিগ্রস্ত অবস্থায় ঝুলে থাকতে দেখা যায়। মাইক্রোবাসটিও গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক মোসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানান, ফ্লাইওভার থেকে নামার আগেই বাসের চাকা বিস্ফোরণ ঘটে। এরপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনাটি ঘটে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, বাসের সামনের অংশে থাকা শিক্ষার্থী ও মাইক্রোবাসের যাত্রীরা তুলনামূলকভাবে বেশি আহত হয়েছেন।
ডাকসুর সহসভাপতি (ভিপি) সাদিক কায়েম জানান, আহতদের মধ্যে ৩ জন হলি ফ্যামিলি হাসপাতালে এবং আরও ৩ জন ইনসাফ হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। বাকি কয়েকজন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, বাসটি দীর্ঘদিন ধরেই ফিটনেসবিহীন ছিল। বিষয়টি একাধিকবার জানানো হলেও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। একই সঙ্গে বাসটির রুট বা ডিপো পরিবর্তনের দাবি জানান তিনি।
বিজ্ঞাপন
ঘটনার পর ডাকসু নেতারা বিভিন্ন হাসপাতালে গিয়ে আহতদের চিকিৎসার খোঁজখবর নেন এবং দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিতের উদ্যোগ নেন। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে বিষয়টি জানিয়ে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।
ডাকসুর ছাত্র পরিবহন সম্পাদক আসিফ আব্দুল্লাহ বলেন, “আমরা ঘটনাস্থল ও হাসপাতালগুলোতে আছি। আহতদের চিকিৎসা নিশ্চিত করা হচ্ছে। বিস্তারিত পরে জানানো হবে।”








