ভারী বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা ও যানজট নিরসনে ভোর থেকেই মাঠে ডিএসসিসি

রাজধানীতে টানা ভারী বর্ষণে সৃষ্ট জলাবদ্ধতা, যানজট এবং উপড়ে পড়া গাছ অপসারণ করে সড়ক সচল রাখতে ভোর থেকেই মাঠে কাজ করছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ওয়ার্ডভিত্তিক ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম। বিভিন্ন এলাকায় পানি দ্রুত নিষ্কাশন ও যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে নেওয়া হয়েছে তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ। রবিবার (১২ জুলাই) ডিএসসিসি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
বিজ্ঞাপন
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, রাজধানীতে সর্বশেষ ছয় ঘণ্টায় ৭৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে, যা চলতি মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। একই সঙ্গে দিনজুড়ে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনার কথাও জানানো হয়েছে।

অবিরাম বর্ষণের কারণে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় জমে থাকা পানি দ্রুত সরিয়ে নিতে কমলাপুরে দুটি এবং ধোলাইখালে একটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন পাম্প চালু করা হয়েছে। পাশাপাশি সড়কের পানি নিষ্কাশনের মুখ পরিষ্কার রাখতে ভোর থেকেই ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করছে।
এদিকে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে রাজধানীর নীলক্ষেত সংলগ্ন আজিমপুরে ইডেন মহিলা কলেজের ২ নম্বর গেটের বিপরীত পাশে একটি বড় গাছ উপড়ে পড়ে সড়ক বন্ধ হয়ে যায়। খবর পেয়ে ডিএসসিসির প্রশাসক মোহাম্মদ আবদুস সালাম দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান। তিনি হাঁটুসমান পানিতে দাঁড়িয়ে থেকে কর্মীদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন এবং গাছ অপসারণ কার্যক্রম তদারকি করেন। পরে দুপুর ১টার দিকে গাছটি সরিয়ে ফেললে ওই সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
বিজ্ঞাপন
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
সকালের পর থেকেই প্রশাসক তার আওতাধীন বিভিন্ন প্রধান সড়ক ও গলিপথ পরিদর্শন করেন। একই সঙ্গে জলাবদ্ধতা নিরসনে চলমান ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিমের কার্যক্রমও সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন।
মোহাম্মদ আবদুস সালাম বলেন, টানা ভারী বর্ষণে সাময়িক জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হলেও পরিস্থিতি মোকাবিলায় ভোর থেকেই সিটি করপোরেশনের কর্মীরা মাঠে রয়েছেন। দ্রুত পানি নিষ্কাশন ও প্রতিবন্ধকতা দূর করে নগরজীবন স্বাভাবিক রাখতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালানো হচ্ছে। তিনি নাগরিকদের ধৈর্য ধারণের আহ্বান জানিয়ে বলেন, দুর্যোগ মোকাবিলায় সবার সম্মিলিত সহযোগিতা প্রয়োজন এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন সবসময় নাগরিকদের পাশে রয়েছে।
বিজ্ঞাপন

ডিএসসিসি নাগরিকদের প্রতি বিশেষ সতর্ক থাকারও আহ্বান জানিয়েছে। সংস্থাটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ওয়াসা, ডিপিডিসি, তিতাসসহ বিভিন্ন সংস্থার চলমান রাস্তা খননের ফলে তৈরি গর্ত এবং বিভিন্ন এলাকায় ঝুঁকিপূর্ণ বৈদ্যুতিক সংযোগ এড়িয়ে চলতে হবে, যাতে কোনো দুর্ঘটনা না ঘটে।







