৩৫ বছর পেরোলেই হওয়া যাবে না আইনজীবী, কার্যকর ২০৩০ থেকে

আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩৫ বছর নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল। আগামী ২০৩০ সালের ১ জানুয়ারি থেকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। ফলে ওই তারিখ থেকে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হতে ইচ্ছুক প্রার্থীদের ন্যূনতম ২১ বছর বয়সের পাশাপাশি সর্বোচ্চ ৩৫ বছর বয়সের শর্তও পূরণ করতে হবে।
বিজ্ঞাপন
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল ও বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল।
বার কাউন্সিল সূত্রে জানা গেছে, গত ১৯ আগস্ট চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তির সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩৫ বছর নির্ধারণের প্রস্তাব সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদিত হয়।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
এর আগে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তির সর্বোচ্চ বয়স নির্ধারণের সুপারিশ করেছিল বার কাউন্সিলের লিগ্যাল এডুকেশন কমিটি। ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে দায়ের করা সিভিল পিটিশন ফর লিভ টু আপিলের প্রেক্ষাপটে কমিটি এ বিষয়ে একটি যৌক্তিক বয়সসীমা নির্ধারণের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে।
বিজ্ঞাপন
কমিটির পর্যবেক্ষণে বলা হয়, আইন পেশার মর্যাদা ও দক্ষতা বাড়ানো, পেশায় দীর্ঘমেয়াদি সম্পৃক্ততা নিশ্চিত করা এবং আইন পেশাকে আরও গতিশীল রাখার স্বার্থে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বয়সসীমা নির্ধারণ করা যুক্তিসংগত।
পরবর্তী সময়ে ১৯ আগস্ট বার কাউন্সিলের সভায় কমিটির প্রস্তাব ও সুপারিশ উপস্থাপন করা হয়। আলোচনার পর উপস্থিত সদস্যরা আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তির সর্বোচ্চ বয়স ৩৫ বছর নির্ধারণের বিষয়ে একমত হন।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
বর্তমানে বাংলাদেশ লিগ্যাল প্র্যাকটিশনার অ্যান্ড বার কাউন্সিল অর্ডার, ১৯৭২-এর ২৭(১)(খ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, আইন পেশায় প্রবেশের ন্যূনতম বয়স ২১ বছর। তবে এত দিন আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তির ক্ষেত্রে কোনো নির্দিষ্ট সর্বোচ্চ বয়সসীমা ছিল না। নতুন সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে আইন পেশায় প্রবেশের জন্য ন্যূনতম বয়সের পাশাপাশি সর্বোচ্চ বয়সের শর্তও মানতে হবে।
বিজ্ঞাপন
এদিকে, সংবিধানে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের অবসরের বয়সসীমা নির্ধারিত থাকলেও অ্যাটর্নি জেনারেলসহ আইনজীবীদের পেশা থেকে অবসরের জন্য আইন দ্বারা নির্দিষ্ট কোনো বয়সসীমা নির্ধারণ করা হয়নি।








