তারেক রহমানকে নিয়ে মন্তব্য প্রত্যাহারে নাহিদ ইসলামকে আইনি নোটিশ

বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে দেওয়া একটি বক্তব্য প্রত্যাহার এবং প্রকাশ্যে দুঃখ প্রকাশের দাবি জানিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলামকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. হাবিবুর রহমান এ নোটিশ পাঠান।
নোটিশে নাহিদ ইসলামকে বক্তব্য প্রত্যাহার করে প্রকাশ্যে দুঃখ প্রকাশ করতে এবং নোটিশ পাওয়ার ১০ দিনের মধ্যে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জবাব না দিলে ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
নোটিশে বলা হয়, গত ৩০ অক্টোবর চ্যানেল ওয়ান ও চ্যানেল আইয়ে প্রচারিত বক্তব্যে তারেক রহমানকে উদ্দেশ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘চাঁদাবাজি ও লুটপাট করার জন্য তারেক রহমান এসেছেন, দেশ পরিচালনায় তার কোনো পরিকল্পনা নেই’। বক্তব্যটি আইনজীবীর নজরে আসার পর তিনি বিব্রত, ব্যথিত, মর্মাহত ও ক্ষুব্ধ হয়েছেন বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়।
বিজ্ঞাপন
এতে আরও দাবি করা হয়, সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ছাড়া রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে নিয়ে এ ধরনের ঢালাও মন্তব্য দায়িত্বশীল রাজনৈতিক আচরণের পরিচয় নয়। এমন বক্তব্যের মাধ্যমে একজন সম্মানিত ব্যক্তির চরিত্র হননের চেষ্টা করা হয়েছে বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়।
নাহিদ ইসলামের রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক অবস্থানের বিষয়টিও নোটিশে তুলে ধরা হয়েছে। এতে বলা হয়, এনসিপির আহ্বায়ক এবং বিরোধীদলীয় চিফ হুইপের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা ব্যক্তির কাছ থেকে এ ধরনের অগ্রহণযোগ্য ও দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্য প্রত্যাশিত নয়। এ মন্তব্যের জন্য জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়ার দাবিও জানানো হয়েছে।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
নোটিশে তারেক রহমানের পারিবারিক রাজনৈতিক পরিচয়ের প্রসঙ্গ টেনে বলা হয়, তাঁর বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্রপতি ছিলেন এবং মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া আপসহীন নেত্রী হিসেবে পরিচিত। তাঁদের ছেলে তারেক রহমান চাঁদাবাজি ও লুটপাটের উদ্দেশ্যে রাজনীতিতে এসেছেন—এমন বক্তব্য জাতি বিশ্বাস করে না বলেও নোটিশে দাবি করা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
আইনজীবীর নোটিশে আরও বলা হয়, গণমাধ্যমে বারবার বক্তব্যটি প্রচারিত হওয়ায় তারেক রহমানের সম্মান ও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে। এ কারণে নোটিশ পাওয়ার ১০ দিনের মধ্যে বক্তব্য প্রত্যাহার ও লিখিত জবাব দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। অন্যথায় পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে সতর্ক করা হয়েছে।








