Logo

মোমবাতি-টর্চ জ্বালিয়ে পরীক্ষা দিলেন পরীক্ষার্থীরা

profile picture
জনবাণী ডেস্ক
৭ মে, ২০২৪, ০৭:০৮
মোমবাতি-টর্চ জ্বালিয়ে পরীক্ষা দিলেন পরীক্ষার্থীরা
ছবি: সংগৃহীত

প্রশ্ন দেওয়ার আগেই বৃষ্টির সাথে সব অন্ধকার হয়ে যায়

বিজ্ঞাপন

ফেনীতে কালবৈশাখী ঝড় ও বৃষ্টিপাতে লোডশেডিংয়ের কারণে মোমবাতি জ্বালিয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স তৃতীয় বর্ষের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিদ্যুৎবিহীন কক্ষেই দুপুর ১টা থেকে শুরু হয়ে পরীক্ষা চলেছে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।

সোমবার (৬ মে) দুপুরে ফেনী সরকারি কলেজ, জয়নাল হাজারী কলেজ এবং সরকারি জিয়া মহিলা কলেজ কেন্দ্রে মোমবাতি জ্বালিয়ে এসব পরীক্ষা নেওয়া হয়। 

বিজ্ঞাপন

জানা যায়, শহরে দুপুর থেকে বৃষ্টি ও কালবৈশাখী ঝড়ের কারণে লোডশেডিং শুরু হয়। পরে পরীক্ষা কেন্দ্রগুলোতে অন্ধকার কক্ষে পরীক্ষার্থীরা মোমবাতি জ্বালিয়ে পরীক্ষা শুরু করেন। ভারী বর্ষণে কিছু কক্ষে পানি প্রবেশ করায় ও অন্ধকারে পরীক্ষায় অংশ নিতে চরম দুর্ভোগে পড়েন শিক্ষার্থীরা। 

বিজ্ঞাপন

ফেনী সরকারি কলেজ কেন্দ্রের মেহেদী হাসান নামে এক শিক্ষার্থী বলেন, কলেজের বাণিজ্য ভবনের ১১৪ নম্বর কক্ষে পরীক্ষা দিয়েছি। প্রশ্ন দেওয়ার আগেই বৃষ্টির সাথে সব অন্ধকার হয়ে যায়। পরে কক্ষে পানি ঢুকলে অনেক কষ্ট করে পরীক্ষা সম্পন্ন করতে হয়েছে।  

বিজ্ঞাপন

শুভ দেবনাথ নামে অন্য শিক্ষার্থী বলেন, পরীক্ষা শুরুর প্রায় আড়াই ঘণ্টা পর কর্তৃপক্ষ মোমবাতি দিয়েছে। স্যাররা আগামী পরীক্ষা কেন্দ্রে টর্চ লাইট নিয়ে যেতে বলেছেন। 

বিজ্ঞাপন

শহিদুল ইসলাম নামে জয়নাল হাজারী কলেজ কেন্দ্রের এক শিক্ষার্থী বলেন, ৪০-৪৫ মিনিট দেরিতে প্রশ্ন দেওয়া হলেও আমরা পরবর্তীতে সে অনুযায়ী বাড়তি কোনো সময় পাইনি। এ ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগে কর্তৃপক্ষের আরও দায়িত্বশীল আচরণ করা প্রয়োজন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ফেনী সরকারি কলেজের এক শিক্ষক বলেন, গত ১৬ থেকে ১৭ বছরেও পরীক্ষার হলে এমন পরিস্থিতি দেখিনি। এভাবে পরীক্ষা দেওয়া অনেক কষ্টকর। কলেজের কিছু ভবনের নিচতলার কক্ষগুলোতে পরীক্ষার আসন না রাখলে ভালো হয়।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

এ ব্যাপারে জয়নাল হাজারী কলেজের অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন বলেন, কলেজের দুইটি কক্ষে কিছুটা সমস্যা হয়েছে। তবে আমরা চার্জার লাইট ও মোমবাতির ব্যবস্থা করেছি। পরীক্ষায় কোনো ধরনের সমস্যা হয়নি। 

এ প্রসঙ্গে জানতে ফেনী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর দেলোয়ার হোসেনকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তার ব্যবহৃত নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়। 

বিজ্ঞাপন

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ফেনীর সহকারী প্রকৌশলী-১ মোহাম্মদ হারুন বলেন, দুপুর থেকে কালবৈশাখীর তাণ্ডবে ২০টি লাইনে গাছ পড়ে অনেক ক্ষতি হয়েছে। রাত ৮টা পর্যন্ত দুইটি লাইন সচল করা হয়েছে। দ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে ফিল্ডে বিদ্যুৎ বিভাগের লোকজন কাজ করছে। 

বিজ্ঞাপন

এমএল/

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD