মুরগির দাম বাড়ছে, রমজান শুরুর আগে লেবুর হালি ৬০ টাকা

সম্প্রতি কয়েক সপ্তাহ দাম কম থাকার পর মুরগির বাজার আবার বৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে। এদিকে রমজান শুরুর আগে লেবুর দামেও বড় ধরনের পরিবর্তন দেখা গেছে। অন্যান্য পণ্যের দাম এই সময়ে তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল রয়েছে।
বিজ্ঞাপন
বিক্রেতারা জানাচ্ছেন, সাধারণত রমজানের মাসখানেক আগে কিছু পণ্যের দাম বাড়তে শুরু করে। তবে এবারের পরিস্থিতি আলাদা; অনেক ক্ষেত্রে দাম আগের চেয়ে কমও আছে। প্রতি বছর চিনি, ছোলা ও পেঁয়াজ নিয়ে ভোক্তাদের মধ্যে আক্রোশ দেখা যায়, কিন্তু এবার বাজারে দাম সহনীয় রয়েছে।
কাঁচা বাজারে বিশেষ করে লেবু ও শসার দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) প্রতি হালি লেবুর দাম ৬০ থেকে ৮০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহের তুলনায় এটি দ্বিগুণেরও বেশি। ছোট আকারের লেবুর হালি ২০ টাকার পরিবর্তে এখন ৩০ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বিজ্ঞাপন
শসার দামও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। প্রতি কেজি শসা কিনতে হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকায়, কোথাও কোথাও ৮০ টাকায়ও বিক্রি হচ্ছে। বেগুনের কেজি দাম ৬০ থেকে ১০০ টাকার মধ্যে। খুচরা বিক্রেতারা জানিয়েছেন, শবে বরাতের দু-একদিন আগে থেকেই লেবু ও শসার দাম বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছে।
রমজানে লেবুর চাহিদা বেড়ে যায়, বিশেষ করে ইফতারে শরবত হিসেবে। কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, চাহিদা পূরণের মতো পর্যাপ্ত লেবু উৎপাদন হয় না, যার ফলে অপরিণত লেবু বাজারে আসে এবং দাম বৃদ্ধি পায়।
বিজ্ঞাপন
বাকি পণ্যের দাম আপাতত স্থিতিশীল। প্রতি কেজি ছোলা ৮০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, অ্যাংকর ডালের কেজি ৫৫ থেকে ৬০ টাকায়। বড় দানার মসুর ডাল কেজিপ্রতি ৯০ থেকে ১০০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। চিনি কেজিপ্রতি ১০০ থেকে ১০৫ টাকা, পেঁয়াজ ৪০ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
ভোজ্যতেলের দামও কিছুটা স্থিতিশীল; বোতলজাত সয়াবিন তেল ১৯০ থেকে ১৯৫ টাকা, খোলা সয়াবিন ১৭৫ থেকে ১৮৫ টাকা। খোলা পামওয়েল ১৫৫ থেকে ১৬২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
ডিমের দাম কমেছে। ফার্মের মুরগির ডিম প্রতি ডজন ১০৫ থেকে ১১৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে ব্রয়লার মুরগির দাম বেড়ে ১৮০ থেকে ১৯০ টাকা প্রতি কেজি, সোনালি মুরগির দাম ৩২০ থেকে ৩৩০ টাকায় উঠেছে। শবে বরাতের আগে এসব মুরগি ২৮০-৩০০ টাকায় বিক্রি হতো।








