দেশের বাজারে সোনার দামে রেকর্ড বৃদ্ধি

দেশের স্বর্ণবাজারে আবারও বড় ধরনের মূল্যবৃদ্ধির ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বাজারে খাঁটি সোনার দাম বৃদ্ধির প্রভাব বিবেচনায় এনে সব ধরনের সোনার নতুন মূল্য নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি।
বিজ্ঞাপন
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট সোনার দাম প্রায় ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত বেড়েছে, যা দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড গড়েছে।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সকালে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি বা খাঁটি সোনার মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় নতুন দর নির্ধারণ করা হয়েছে। ঘোষিত এই মূল্য একই দিন সকাল ১০টা থেকে দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে কার্যকর হয়েছে।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩২ হাজার ৯৩০ টাকা। আগের দামের তুলনায় এতে ৯ হাজার ৮৫৬ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে।
বিজ্ঞাপন
এছাড়া ২১ ক্যারেট সোনার প্রতি ভরির নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২২ হাজার ৪৯১ টাকা। ১৮ ক্যারেট সোনার প্রতি ভরি বিক্রি হবে ১ লাখ ৯১ হাজার ৫৬ টাকা দরে। অন্যদিকে, সনাতন পদ্ধতির সোনার প্রতি ভরির মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫৬ হাজার ৬৪ টাকা।
বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব অনুমোদিত জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই মূল্যই কার্যকর থাকবে। তবে স্বর্ণালঙ্কারের চূড়ান্ত বিক্রয়মূল্য নির্ধারণে ডিজাইন ও কারুকাজ অনুযায়ী মজুরি যোগ হবে।
সংগঠনটি আরও জানায়, স্বর্ণ ও রৌপ্য অলঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের মধ্যেই ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকবে। ফলে ক্রেতাদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না।
বিজ্ঞাপন
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
এছাড়া অলঙ্কার পরিবর্তন (এক্সচেঞ্জ) বা পুনঃক্রয়ের (পারচেজ) ক্ষেত্রে ভ্যাট, মজুরি ও ব্যবহৃত পাথরের মূল্য বাদ দিয়ে বাজুসের বিদ্যমান নীতিমালাই অনুসরণ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
স্বর্ণের এই নতুন মূল্যবৃদ্ধির ফলে গয়না ক্রয়ে আগ্রহী ক্রেতাদের অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতে হবে। একই সঙ্গে স্বর্ণ ব্যবসায়ীদেরও নতুন মূল্যতালিকা অনুসারে লেনদেন পরিচালনা করতে হবে।








