বন্যার শঙ্কায় ১৬ জেলা, এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে বাড়ছে দুশ্চিন্তা

দেশের পাঁচ বিভাগের অন্তত ১৬ জেলায় বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র। এরই মধ্যে চট্টগ্রামে গত ৪২ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে এবং জেলার প্রায় তিন হাজার পরিবার আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান নিয়েছে। একই সময়ে উত্তরাঞ্চলের তিস্তা নদীর পানিও বিপৎসীমার কাছাকাছি পৌঁছেছে।
বিজ্ঞাপন
এমন পরিস্থিতিতে চলমান এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা নিয়ে উদ্বেগে পড়েছেন পরীক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকরা। বুধবার (৮ জুলাই) দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে ইংরেজি দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। একই দিনে মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষাও অনুষ্ঠিত হবে। ফলে সম্ভাব্য দুর্যোগ মোকাবিলায় শিক্ষা বোর্ডগুলো কী পদক্ষেপ নেয়, সেদিকে নজর রয়েছে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি এবং ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান জানান, বন্যা ও দুর্যোগ পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। কেন্দ্র সচিব, স্থানীয় প্রশাসন, বিদ্যুৎ বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে পরীক্ষা নির্বিঘ্নে আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
তিনি আরও বলেন, প্রয়োজনে পরীক্ষার্থীদের নিরাপদ স্থানে বা পরীক্ষাকেন্দ্রের কাছাকাছি নিয়ে আসার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। তবে কোনো এলাকায় বন্যা বা গুরুতর দুর্যোগ দেখা দিলে পরিস্থিতি বিবেচনা করে তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, গত ২ জুলাই সারাদেশে একযোগে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয়েছে। এবার মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছেন। দেশের ২ হাজার ৬৯৭টি কেন্দ্রে এসব পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
চলতি বছর প্রথমবারের মতো ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে একই প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে। ফলে কোনো একটি অঞ্চলে বন্যার কারণে পরীক্ষা স্থগিত হলে অন্য বোর্ডগুলোর পরীক্ষাও স্থগিত করার প্রয়োজন হতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। কারণ পরবর্তীতে ভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা আয়োজন করলে সমতা ও মূল্যায়ন নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে।








