১০ বছর পর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় সমাবর্তন ২৩ জানুয়ারি

দীর্ঘ ১০ বছর বিরতির পর দ্বিতীয় সমাবর্তনের আয়োজন করতে যাচ্ছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। আগামী ২৩ জানুয়ারি ২০২৭ বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হবে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর ও রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর উপস্থিত থাকার জন্য সম্মতি দিয়েছেন।
বিজ্ঞাপন
সমাবর্তন আয়োজনের প্রস্তুতি নিয়ে সোমবার গাজীপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ক্যাম্পাসে উচ্চপর্যায়ের একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহর সভাপতিত্বে সভায় সমাবর্তন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে ব্যবস্থাপনা কমিটি ও বিভিন্ন উপকমিটি গঠন করা হয়।
সভায় প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, ট্রেজারার প্রফেসর ড. মো. নাজমুল হোসাইন, রেজিস্ট্রার মোল্লা মাহফুজ আল-হোসেনসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন ও দপ্তর প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
সভায় ভাইস-চ্যান্সেলর বলেন, দীর্ঘ সময় পর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি আয়োজন। সমাবর্তন সফল করতে শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। শিক্ষার্থীরা যেন সুন্দর ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে এই বিশেষ দিনের অংশ হতে পারেন, সেদিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশনা দেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, সমাবর্তন কেবল আনুষ্ঠানিক আয়োজন নয়; একজন শিক্ষার্থীর দীর্ঘ শিক্ষাজীবনের অর্জন ও সাফল্যের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতির দিন। তাই জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থীর প্রত্যাশাকে বিবেচনায় নিয়ে স্মরণীয় ও সুশৃঙ্খল আয়োজন নিশ্চিত করতে হবে।
বিজ্ঞাপন
এর আগে রোববার বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহর নেতৃত্বাধীন বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি প্রতিনিধি দল।
সাক্ষাৎকালে ভাইস-চ্যান্সেলর দ্বিতীয় সমাবর্তনে চ্যান্সেলর হিসেবে রাষ্ট্রপতিকে উপস্থিত থাকার জন্য আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানান। রাষ্ট্রপতি আমন্ত্রণ গ্রহণ করে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার সম্মতি দেন এবং সমাবর্তন সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে আয়োজনের বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
রাষ্ট্রপতির সম্মতির পর সমাবর্তনের প্রস্তুতি শুরু করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। সমাবর্তন বক্তা কে থাকবেন, কোন কোন শিক্ষার্থী অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন এবং আয়োজনের অন্যান্য বিষয় শিগগির সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জানানো হবে।
দেশের প্রায় আড়াই হাজার কলেজের শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার সঙ্গে যুক্ত জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য দীর্ঘ প্রতীক্ষিত এই সমাবর্তন বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে। এক দশক পর দ্বিতীয় সমাবর্তনকে ঘিরে শিক্ষার্থী ও গ্র্যাজুয়েটদের মধ্যে ইতোমধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। বিপুলসংখ্যক গ্র্যাজুয়েটের অংশগ্রহণে এটি বড় পরিসরের আয়োজন হবে বলে আশা করছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।








