Logo

পাঠ্যবইয়ে নৌকা-দাঁড়িপাল্লার ছবি খুঁজতে বিশেষ কমিটি গঠন

profile picture
নিজস্ব প্রতিবেদক
৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ১৩:৩১
পাঠ্যবইয়ে নৌকা-দাঁড়িপাল্লার ছবি খুঁজতে বিশেষ কমিটি গঠন
ছবি: সংগৃহীত

পাঠ্যবইয়ে রাজনৈতিক দলের প্রতীক হিসেবে পরিচিত নৌকা ও দাঁড়িপাল্লার ছবি ব্যবহারের ঘটনায় সমালোচনার মুখে পড়েছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। এ ঘটনায় সংস্থাটির ১৪ কর্মকর্তাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁদের মধ্যে দাঁড়িপাল্লার ছবি ব্যবহারের ঘটনায় একজন এবং নৌকার ছবি ব্যবহারের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ১৩ জনকে বদলি করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

তবে চিহ্নিত ভুল সংশোধনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকতে চায় না এনসিটিবি। নতুন করে সব শ্রেণির সব পাঠ্যবই পর্যালোচনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নৌকা ও দাঁড়িপাল্লার মতো বিতর্কিত ছবি কিংবা অন্য কোনো অসংগতি রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখবে বিশেষ কমিটি। দ্রুত পর্যালোচনা শেষ করে প্রয়োজনীয় সংশোধনের সুপারিশ করবে কমিটি।

এনসিটিবি কর্মকর্তারা জানান, সম্প্রতি ষষ্ঠ শ্রেণির তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) বইয়ে প্রজ্ঞার প্রতীক হিসেবে দাঁড়িপাল্লার ছবি ব্যবহারের বিষয়টি সামনে আসে। এ নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। এর রেশ কাটতে না কাটতেই প্রাথমিক স্তরের বিভিন্ন বাংলা ও ইংরেজি বইয়ে অপ্রয়োজনীয়ভাবে নৌকার ছবি ব্যবহারের বিষয়টি নিয়েও প্রশ্ন ওঠে।

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

রাজনৈতিক দলের প্রতীক হিসেবে পরিচিত এসব ছবি পাঠ্যবইয়ে ব্যবহারের কারণে সমালোচনার পাশাপাশি বই সম্পাদনা, ছবি নির্বাচন ও তদারকির প্রক্রিয়া নিয়েও প্রশ্ন দেখা দেয়। এর পরিপ্রেক্ষিতেই সব পাঠ্যবই নতুন করে পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নেয় এনসিটিবি।

বিজ্ঞাপন

এদিকে ষষ্ঠ শ্রেণির আইসিটি বইয়ের মোট ৩৯ লাখ কপি ছাপানোর পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ১৭ লাখ কপি ছাপা হয়েছে। ভুল শনাক্ত হওয়ার পর বাকি ১৮ লাখ কপি ছাপার কাজ স্থগিত করা হয়েছে।

এনসিটিবি জানিয়েছে, ইতোমধ্যে ছাপানো বইগুলোর ভুল সংশোধনে সরকারের অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় হবে না। সংশ্লিষ্ট ছাপাখানাগুলো নিজস্ব খরচে ভুল থাকা পৃষ্ঠা বা ফর্মা নতুন করে ছাপাবে। পরে বইগুলো পুনরায় বাঁধাই করে মাঠপর্যায়ে সরবরাহ করা হবে। বাকি বইগুলোর মুদ্রণকাজও সংশোধন শেষে সম্পন্ন করা হবে।

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

এনসিটিবির চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোহাম্মদ ফখরুল মাওলা জাগো নিউজকে বলেন, সব বইয়ে দাঁড়িপাল্লা বা নৌকার মতো বিষয় রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ জন্য কাজ চলছে। কোনো বইয়ে অসংগতি পাওয়া গেলে তা সংশোধন করে স্কুলে পাঠানো হবে।

বিজ্ঞাপন

তিনি আরও বলেন, ভুল বা অসংগতি থাকা পৃষ্ঠা সংশোধন করে নতুন করে ছাপানো হবে। এরপর ছাপাখানাগুলো বই পুনরায় বাঁধাই করে মাঠপর্যায়ে পাঠাবে। এ কাজ ছাপাখানাগুলো নিজস্ব খরচে করে দেবে। ফলে এ জন্য সরকারের কোনো বাড়তি আর্থিক চাপ তৈরি হবে না।

জেবি/এএস

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD