শিক্ষা কমিশন গঠন করতে আগ্রহী নন শিক্ষামন্ত্রী

দেশের শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়ন ও সংস্কারের জন্য শিক্ষা কমিশন গঠনের পরিকল্পনা থাকলেও আপাতত সে পথে যেতে চান না শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তাঁর মতে, অতীত অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে গঠিত কমিশনের সদস্যদের পক্ষে দ্রুত পরিবর্তনশীল শিক্ষাব্যবস্থার ভবিষ্যৎ চাহিদা পুরোপুরি অনুধাবন করা কঠিন।
বিজ্ঞাপন
সোমবার (২ নভেম্বর) রাজধানীর জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমিতে (নায়েম) ২১০তম বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সের সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ অবস্থানের কথা জানান তিনি।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “শিক্ষা কমিশন করার কথা ছিল, কিন্তু আমি তা করিনি। আমি করতে চাচ্ছি না।” তাঁর ব্যাখ্যা, কমিশনে যাঁরা দায়িত্ব পালন করবেন, তাঁরা বর্তমান অবস্থানে পৌঁছেছেন অতীতের অভিজ্ঞতা ও অর্জিত জ্ঞানের ভিত্তিতে। কিন্তু প্রযুক্তি ও সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে শিক্ষাব্যবস্থাও দ্রুত রূপান্তরিত হচ্ছে। ফলে ভবিষ্যতে শিক্ষা কোন পথে এগোবে, তা আগে থেকে নিশ্চিতভাবে বলা কঠিন।
শিক্ষাক্রম পরিবর্তনের দাবি প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বিশ্বের অন্যান্য দেশের শিক্ষাব্যবস্থা সম্পর্কে ধারণা নেওয়া প্রয়োজন। প্রযুক্তির সহায়তায় বিভিন্ন দেশের শিক্ষা কার্যক্রম ও পদ্ধতি পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব।
বিজ্ঞাপন
শিক্ষাক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) ব্যবহার বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি। শিক্ষামন্ত্রীর মতে, শিক্ষাব্যবস্থা ক্রমেই এআইনির্ভর হয়ে উঠছে। আধুনিক ও সময়োপযোগী শিক্ষা নিশ্চিত করতে এ প্রযুক্তির ব্যবহার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন। এ ছাড়া নায়েমের পরিচালক (প্রশিক্ষণ ও বাস্তবায়ন), কোর্স উপদেষ্টা ও কেন্দ্রীয় মূল্যায়ন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক প্রিম রিজভী অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
নায়েমের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. ওয়াসীম মো. মেজবাহুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ২১০তম বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সের পরিচালক অধ্যাপক ড. নাসিমা খান।








