ঘনিষ্ঠ স্বজনদের উপস্থিতিতে বিয়ে করলেন ডুয়া লিপা

অবশেষে দীর্ঘদিনের জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলেন বিশ্বখ্যাত ব্রিটিশ পপ তারকা ডুয়া লিপা ও ব্রিটিশ অভিনেতা ক্যালাম টার্নার। রবিবার (৩১ মে) লন্ডনের ঐতিহাসিক ওল্ড ম্যারিলেবোন টাউন হলে সীমিত পরিসরের এক ঘরোয়া আয়োজনে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। ৩০ বছর বয়সী এই সংগীতশিল্পী এবং ৩৬ বছর বয়সী অভিনেতার বিয়ের খবর আন্তর্জাতিক বিনোদন অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
বিজ্ঞাপন
আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অত্যন্ত গোপনীয়তার সঙ্গে আয়োজিত এই বিয়েতে শুধু দুই পরিবারের সদস্য এবং খুবই ঘনিষ্ঠ কয়েকজন বন্ধু উপস্থিত ছিলেন। বিয়ের বিশেষ এই দিনে দুয়া লিপার পরনে ছিল ড্যানিয়েল রোজবেরির নকশা করা একটি শিয়াপারেলি স্যুট ড্রেস।
এর সঙ্গে তিনি ম্যাচিং গ্লাভস, ক্রিশ্চিয়ান লুবোটিন জুতো এবং স্টিফেন জোন্সের তৈরি একটি বড় সাদা হ্যাট পরেছিলেন। অন্যদিকে ক্যালাম টার্নার সেজেছিলেন নেভি ব্লু স্যুট ও টাইয়ে। বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষে দুজনকে একে অপরের হাত ধরে হাঁটতেও দেখা গেছে।
বিজ্ঞাপন
যদিও এই বিয়ের বিষয়ে ডুয়া লিপা কিংবা ক্যালাম টার্নারের প্রতিনিধিদের পক্ষ থেকে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি। তবে ব্রিটিশ ট্যাবলয়েড ‘দ্য ডেইলি মেইল’ এবং ‘দ্য সান’ তাদের এই ঘরোয়া আয়োজনের কিছু বিশেষ মুহূর্তের ছবি প্রকাশ করার পর বিষয়টি সবার সামনে আসে।

এর আগে বেশ কিছুদিন প্রেমের গুঞ্জনের পর ২০২৫ সালের জুনে ব্রিটিশ ভোগ ম্যাগাজিনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ক্যালাম টার্নারের সঙ্গে বাগদানের খবর নিশ্চিত করেছিলেন ডুয়া লিপা। সে সময় তিনি জানিয়েছিলেন, নিজের ওয়ার্ল্ড ট্যুর বা বিশ্ব সফর শেষ করেই বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চান তিনি। তবে পেশাগত ও ব্যক্তিগত জীবনের এই বিশেষ সময়টাকে তাড়াহুড়ো না করে নিজেদের মতো করে উপভোগ করতেই বিয়েতে কিছুটা সময় নিচ্ছিলেন এই জুটি।
বিজ্ঞাপন
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে লন্ডনে ‘মাস্টার্স অব দ্য এয়ার’ সিরিজের আফটার পার্টিতে প্রথমবার একসঙ্গে দেখা যায় ডুয়া লিপা ও ক্যালাম টার্নারকে। এরপর থেকেই তাদের প্রেমের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। পরে একই বছরের জুলাইয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে ছবি শেয়ার করে নিজেদের সম্পর্কের বিষয়টি প্রকাশ্যে আনেন তারা।

বিয়ে প্রসঙ্গে এর আগে ডুয়া লিপা বলেছিলেন, তিনি কখনোই প্রথাগত বিয়ে নিয়ে খুব বেশি ভাবেননি কিংবা কেমন কনে হবেন তা নিয়েও কোনো স্বপ্ন দেখেননি। তবে একসঙ্গে বার্ধক্যে পৌঁছানো এবং সারাজীবনের জন্য সেরা বন্ধু হয়ে থাকার সিদ্ধান্ত তার কাছে সত্যিই বিশেষ এক অনুভূতি।








