‘এই সালমান মুক্তাদির দুনিয়ার সব গণ্ডগোলে কীভাবে ঢুকে পড়ে?’

কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় প্রশ্ন তুলেছেন মডেল ও রাজনীতিবিদ মেঘনা আলম।
বিজ্ঞাপন
রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক দীর্ঘ স্ট্যাটাসে তিনি বলেন, ঘটনাটি তাঁর কাছে পুরোপুরি পরিষ্কার নয় এবং এর পেছনে কোনো গোপন উদ্দেশ্য আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা উচিত।
স্ট্যাটাসে সালমান মুক্তাদিরের সঙ্গে তাঁর পুরোনো পরিচয়ের কথাও তুলে ধরেন মেঘনা আলম। তিনি জানান, একসময় সালমান তাঁর ব্যক্তিগত কষ্টের সময়ে পাশে থাকার কথা বলেছিলেন। পরে সালমানের কিছু কর্মকাণ্ডে হতাশ হয়ে তাঁকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আনফ্রেন্ড করার কথাও জানান তিনি।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
নিজের অতীতের একটি ঘটনার বর্ণনা দিয়ে মেঘনা আলম বলেন, ইউনূস সরকারের সময়ে তাঁকে গোয়েন্দা পুলিশের কার্যালয়ে নেওয়ার পর তাঁর ফোন ও ম্যাকবুকের পাসওয়ার্ড দিয়ে তল্লাশি চালানো হচ্ছিল।
তখন এক তদন্ত কর্মকর্তা সালমানের সঙ্গে তাঁর বার্তা দেখে মন্তব্য করেছিলেন, ‘এই সালমান মুক্তাদির দুনিয়ার সব গণ্ডগোলে কীভাবে ঢুকে পড়ে?’
বিজ্ঞাপন
সালমানের স্টুডিওতে হামলার প্রসঙ্গ তুলে মেঘনা আলম প্রশ্ন করেন, হামলাকারীদের পরিচয় সম্পর্কে নিশ্চিত না হওয়া এবং ব্যক্তিগতভাবে তাঁর কাছে চাঁদা দাবি করা হয়নি—এমন বক্তব্যের পরও কীভাবে সালমান ঘটনাটিকে বিএনপির সঙ্গে যুক্ত করছেন।
তাঁর মতে, হামলার প্রকৃত কারণ ও এর পেছনে অন্য কোনো উদ্দেশ্য রয়েছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা প্রয়োজন।
এর আগে শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাতে রাজধানীর ইসিবি চত্বরের নিউ গিনি প্রপার্টিজ এলাকায় সালমান মুক্তাদিরের ‘ব্রাউনফিশ’ স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
বিজ্ঞাপন
আরও পড়ুন
সালমানের পক্ষ থেকে চাঁদা দাবির অভিযোগ তোলা হলেও পুলিশ জানিয়েছে, নিউ গিনি প্রপার্টিজ ও পাশের জমির মালিকের মধ্যে বিরোধের জেরেই হামলার ঘটনা ঘটে। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, স্টুডিওটি হামলার মূল লক্ষ্য ছিল না। ঘটনায় তিনজনকে আটক করা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
মেঘনা আলম তাঁর স্ট্যাটাসের শেষদিকে সালমান মুক্তাদিরের মঙ্গল কামনা করেন। একই সঙ্গে তিনি হামলার ঘটনার পেছনের কারণ নিরপেক্ষভাবে খতিয়ে দেখার আহ্বান জানান।
এদিকে হামলার ঘটনায় সালমান মুক্তাদির মামলা করার কথা জানিয়েছেন। পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ঘটনার প্রকৃত কারণ ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিষয়ে তদন্ত চলছে।








