ইতালিতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা

ঘূর্ণিঝড় ‘হ্যারি’র প্রভাবে ইতালির ক্যালাব্রিয়া, সিসিলি ও সার্ডিনিয়া অঞ্চলে টানা ভারী বৃষ্টি ও ভয়াবহ ভূমিধস দেখা দিয়েছে। এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির পর দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারি করেছে ইতালি সরকার।
বিজ্ঞাপন
সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে সিসিলির নিশেমি শহরে। সেখানে বড় ধরনের ভূমিধসের ঘটনায় অন্তত ১,৫০০ জন মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতির অবনতি ঠেকাতে শহরের কেন্দ্রের দিকে ভূমিধসের অগ্রগতি রোধে নিরাপত্তা বেষ্টনী ১০০ মিটার থেকে বাড়িয়ে ১৫০ মিটার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইতালির নাগরিক সুরক্ষা মন্ত্রী নেলো মুসুমেচি।
আরও পড়ুন: হামলা হলে কঠোর ও চূড়ান্ত জবাব দেবে ইরান
রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম রাই নিউজের তথ্য অনুযায়ী, নিশেমিতে ভূমিধসের রেখা প্রায় চার কিলোমিটারজুড়ে বিস্তৃত। নাগরিক সুরক্ষা বিভাগের প্রধান ফ্যাবিও সিসিলিয়ানো সতর্ক করে বলেন, ভূমিধস এখনও থামেনি এবং পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা বাড়তে পারে। সাম্প্রতিক কয়েক দিনে নিশেমিতে অন্তত দুটি বড় ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার গভীরতা কোনো কোনো স্থানে ছয় মিটার পর্যন্ত পৌঁছেছে।
বিজ্ঞাপন
ইতালির সরকার জাতীয় জরুরি তহবিল থেকে প্রাথমিকভাবে ১০ কোটি ইউরো বরাদ্দ দিয়েছে, যা ধ্বংসাবশেষ অপসারণ, জরুরি সেবা পুনরুদ্ধার ও ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় ব্যয় করা হবে।
উত্তর ইতালির আরেনজানো ও জেনোয়ার মধ্যে উপকূলীয় সড়ক ভিয়া অরেলিয়ায় ভূমিধসের কারণে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। পাশাপাশি সার্ডিনিয়ায় ঝড় ও ভারী বৃষ্টিপাতের সতর্কতা আরও ২৪ ঘণ্টা বাড়ানো হয়েছে। ইতালির এই জরুরি অবস্থা মোকাবিলায় সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
বিজ্ঞাপন








