আরও এক দেশে সরকার পরিবর্তনের হুমকি ডোনাল্ড ট্রাম্পের

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কিউবার সরকারকে সরাসরি হুমকি দিয়েছেন। হোয়াইট হাউসে বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি জানান, ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক ও কৌশলগত অভিযান শেষ হওয়ার পর কিউবার বিরুদ্ধে বড় ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।
বিজ্ঞাপন
ট্রাম্প বলেন, “কিউবায় বর্তমানে যা ঘটছে তা আশ্চর্যজনক, তবে প্রথমে আমাদের ইরান ইস্যু সমাধান করতে হবে। কিউবার ক্ষেত্রে পদক্ষেপ নেওয়া এখন কেবল সময়ের অপেক্ষা।”
তিনি আরও জানান, তার প্রশাসন সামরিক বাহিনীকে শক্তিশালী ও আধুনিকায়নের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে। ট্রাম্প দাবি করেছেন, তার প্রথম মেয়াদ থেকে শুরু করে তিনি সামরিক সক্ষমতা অভাবনীয়ভাবে বৃদ্ধি করেছেন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী এটি কার্যকরভাবে ব্যবহার করেছেন।
বিজ্ঞাপন
সাম্প্রতিক সময়ে ভেনিজুয়েলায় মার্কিন সামরিক অভিযানের পর কিউবা নিয়ে ট্রাম্পের কঠোর অবস্থান বিশ্ব রাজনীতির আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে। তিনি পূর্বে হুমকি দিয়েছেন, হাভানা যদি ওয়াশিংটনের শর্ত অনুযায়ী বাণিজ্য চুক্তি না মেনে চলে, তবে দেশটি মানবিক বিপর্যয়ের মুখে পড়তে পারে।
ট্রাম্পের হুমকিতে কেবল কিউবা নয়, দেশটির মিত্র রাষ্ট্রগুলোর ওপরও সতর্কবার্তা রয়েছে। তিনি জানিয়েছেন, যদি কোনো দেশ কিউবায় তেল রপ্তানি করার চেষ্টা করে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করবে। মূলত কিউবার জ্বালানি সরবরাহ সীমিত করে দেশটির সরকারকে জনবিক্ষোভের মুখে ফেলাই হোয়াইট হাউসের কৌশল।
এর জবাবে কিউবার সরকার ট্রাম্পের হুমকিকে তাদের সার্বভৌমত্বে হস্তক্ষেপ হিসেবে বিবেচনা করেছে। হাভানা জানিয়েছে, তারা যেকোনো বহিঃশত্রুর আক্রমণ মোকাবিলায় প্রস্তুত।








