ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় তেল আবিবে ভয়াবহ বিস্ফোরণ

ইসরায়েলের তেল আবিব ও বেয়ারশেবা শহরে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর ব্যাপক ধোঁয়া ও বিস্ফোরণের দৃশ্য দেখা গেছে। রোববার (৮ মার্চ) তেল আবিবে বিস্ফোরণের শব্দের সঙ্গে সঙ্গে শহরে সাইরেন বাজানো হয় এবং আশপাশের এলাকা সতর্ক সংকেতের মধ্যে রাখা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড (আইআরজিসি) জানিয়েছে, তারা বেয়ারশেবা ও তেল আবিব শহর এবং জর্ডানের একটি বিমানঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। আইআরজিসি হামলাটিকে অপারেশন ওয়াদে সাদেক ৪-এর ২৮তম ধাপ উল্লেখ করেছে। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, এই ক্ষেপণাস্ত্র ছিল ‘খেইবার’ ধরনের এবং এর ওয়ারহেড অত্যন্ত ভারী।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী আগে থেকেই সতর্ক করে জানিয়েছিল, ইরানের নতুন ক্ষেপণাস্ত্র হামলার হুমকি মোকাবিলায় তাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কাজ করছে। হামলার এক ঘণ্টা আগে আইআরজিসি ঘোষণা করেছিল যে তারা নির্দিষ্ট লক্ষ্যগুলোর ওপর আঘাত হানবে।
বিজ্ঞাপন
ইসরায়েলের বিভিন্ন শহরে সাইরেন বাজানো হয়। বিশেষ করে তেল আবিবে বিস্ফোরণের শব্দ ধরা পড়ে এবং তা ধোঁয়ার সঙ্গে দেখা যায়।
ইসরায়েলের জরুরি চিকিৎসা সেবা সংস্থা জানিয়েছে, ‘গুলিবর্ষণের’ পর ছিটকে আসা ধাতব টুকরোর আঘাতে তিনজন আহত হয়েছেন। তবে তারা আহতদের সঠিক অবস্থান বা কোন এলাকা থেকে আহত হয়েছেন তা উল্লেখ করেনি।
আইআরজিসি এবং ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর সাম্প্রতিক বিবৃতির মধ্যে দেখা যাচ্ছে, দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা তীব্র হচ্ছে। ইসরায়েলি সেনারা দাবি করেছে, তারা ইরানের সামরিক অবকাঠামোর ওপর নতুন হামলা শুরু করেছে, যা উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়েছে।
বিজ্ঞাপন
এ ঘটনার প্রেক্ষিতে তেল আবিব ও বেয়ারশেবা শহরের জনগণ আতঙ্কে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিচ্ছেন। হামলার প্রভাবে বিমান চলাচল, নগর পরিবহন এবং জরুরি সেবা কিছুটা ব্যাহত হয়েছে। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা ইরান-ইসরায়েল উত্তেজনার বৃদ্ধি সম্পর্কে সতর্কবার্তা দিচ্ছেন এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে দেশগুলিকে পরামর্শ দিচ্ছেন।
এ ঘটনায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় উদ্বিগ্ন, এবং বিভিন্ন দেশ মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে উত্তেজনা বৃদ্ধি রোধে কূটনৈতিক পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছে।








