Logo

‘সাহস থাকলে’ পারস্য উপসাগরে জাহাজ পাঠান: ট্রাম্পকে ইরানি মুখপাত্রের চ্যালেঞ্জ

profile picture
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
১৬ মার্চ, ২০২৬, ১৫:২৮
‘সাহস থাকলে’ পারস্য উপসাগরে জাহাজ পাঠান: ট্রাম্পকে ইরানি মুখপাত্রের চ্যালেঞ্জ
ছবি: সংগৃহীত

ইরানের নৌ সক্ষমতা ধ্বংস হয়ে গেছে এবং তেহরান আলোচনায় আগ্রহী—মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এমন বক্তব্যকে মিথ্যা দাবি করে তা প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রকে পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলা হয়েছে, ‘সাহস থাকলে’ পারস্য উপসাগরে জাহাজ পাঠাতে পারে ওয়াশিংটন।

বিজ্ঞাপন

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলি মোহাম্মদ নাইনি বলেন, হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি বিপ্লবী গার্ডের নৌবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং এ অঞ্চলে ইরানের পূর্ণ সার্বভৌমত্ব বজায় আছে।

তিনি আরও বলেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প যদি সত্যিই দাবি করে থাকেন যে ইরানের নৌবাহিনী ধ্বংস হয়ে গেছে, তাহলে সাহস থাকলে তিনি তার যুদ্ধজাহাজ পারস্য উপসাগরে পাঠাতে পারেন।

বিজ্ঞাপন

নাইনি দাবি করেন, এখন পর্যন্ত ইরান যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে প্রায় ৭০০টি ক্ষেপণাস্ত্র এবং ৩ হাজার ৬০০টি ড্রোন নিক্ষেপ করেছে।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, যুদ্ধ তখনই শেষ হবে যখন প্রতিপক্ষ ইরানের সামরিক সক্ষমতা ও সামাজিক প্রতিরোধ শক্তিকে স্বীকার করবে। পাশাপাশি তিনি সতর্ক করে বলেন, আগ্রাসনের জবাবে ইরান আরও ভারী ও বিধ্বংসী হামলা চালিয়ে যাবে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর থেকেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ওই হামলায় প্রায় ১ হাজার ৩০০ জন নিহত হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। নিহতদের মধ্যে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিও রয়েছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

এর জবাবে ইরান ইসরায়েল, জর্ডান, ইরাক এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ধারাবাহিকভাবে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে আসছে। পাশাপাশি মার্চের শুরু থেকেই হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ করে দেওয়ার কথাও জানানো হয়েছে, যা বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

জেবি/জেএইচআর

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD