ইসরায়েলে ভয়ংকর ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইরানের, প্রতিক্রিয়া নেতানিয়াহুর

ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান সংঘাত ২৩তম দিনে গড়িয়েছে। যুদ্ধ শুরুর প্রথম ধাপেই ইরানের তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে সপরিবারে হত্যা করা হয় বলে দাবি করা হচ্ছে। এরপর থেকে ইসলামী শাসনব্যবস্থা দুর্বল করতে ইরানের শীর্ষ নেতা ও সামরিক কমান্ডারদের লক্ষ্যবস্তু করছে ওয়াশিংটন ও তেল আবিব—এমনই পরিস্থিতির কথা উঠে এসেছে বিভিন্ন প্রতিবেদনে।
বিজ্ঞাপন
অন্যদিকে পাল্টা জবাবে ইরানও ইসরায়েলের অভ্যন্তর এবং মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে একাধিক হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। এতে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা আরও তীব্র হয়েছে।
এ পরিস্থিতিতে ইরানে হামলার মাত্রা আরও বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ। তবে এর মধ্যেই শনিবার রাতে ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলের আরাদ শহরে একটি ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র সরাসরি আঘাত হানে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অত্যাধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সেই হামলা প্রতিহত করতে ব্যর্থ হয়।
বিজ্ঞাপন
ইসরায়েলের জরুরি সেবা সংস্থার তথ্যমতে, এই ঘটনায় অন্তত ৮৮ জনকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে ১০ জনের অবস্থা গুরুতর। হামলার পর শহরের বিস্তীর্ণ এলাকায় বিদ্যুৎ বিভ্রাট দেখা দেয় এবং বহু ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
একই সময়ে ইসরায়েলের সংবেদনশীল এলাকা হিসেবে পরিচিত ডিমোনা শহরেও ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে বলে জানা গেছে। পারমাণবিক স্থাপনার কাছাকাছি হওয়ায় এলাকাটি নিয়ে নিরাপত্তা উদ্বেগ আরও বেড়েছে। এই ঘটনায় আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন।
ডিমোনার এই বিস্ফোরণকে কেন্দ্র করে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা মহলে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে। শহরটি ইসরায়েলের প্রধান পারমাণবিক স্থাপনা থেকে মাত্র ১৩ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।
বিজ্ঞাপন
এদিকে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এই ঘটনাকে শহরটির জন্য “অত্যন্ত কঠিন এক সন্ধ্যা” হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
তিনি আরাদ শহরের মেয়রের সঙ্গে জরুরি যোগাযোগ করেন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেশবাসীকে নিরাপত্তা নির্দেশনা কঠোরভাবে মানার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে উদ্ধারকারী বাহিনীর সক্ষমতা বাড়ানোর নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, সব ফ্রন্টে শত্রুদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।








