যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসন মোকাবিলায় প্রস্তুতি নিচ্ছে কিউবা

যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপ মোকাবিলায় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন কিউবার উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কার্লোস ফার্নান্দেজ ডি কসিও। তবে তিনি একই সঙ্গে জানিয়েছেন, হাভানা সরকার শান্তিপূর্ণ ও দায়িত্বশীল সংলাপকেই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে।
বিজ্ঞাপন
স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, ওয়াশিংটনের সম্ভাব্য কোনো আগ্রাসন প্রতিরোধে কিউবা সামরিক প্রস্তুতি জোরদার করছে। একই সঙ্গে দেশের ইতিহাস ও অবস্থান অনুযায়ী জাতীয় ঐক্যের ভিত্তিতে যেকোনো ধরনের হামলা প্রতিহত করার সক্ষমতা ধরে রাখার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর তেল অবরোধের কারণে দেশজুড়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটে ভুগছে কিউবা। ধারাবাহিক বিদ্যুৎ বিভ্রাটে অন্ধকারে নিমজ্জিত হয়েছে বহু এলাকা। যদিও কিছু হাসপাতাল ও ছোট কিছু অঞ্চলে সীমিত পরিসরে বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনরায় চালু করা হয়েছে, তবে তা মোট চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল।
বিজ্ঞাপন
জ্বালানি সংকটের কারণে একের পর এক তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র অচল হয়ে পড়ছে, ফলে জনজীবনে দুর্ভোগ বাড়ছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে খাদ্য সংরক্ষণেও সমস্যা তৈরি হয়েছে, অনেকের সংরক্ষিত খাবার নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
এ অবস্থার মধ্যেই এনবিসি নিউজের ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কার্লোস ফার্নান্দেজ ডি কসিও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য সামরিক দখলচেষ্টা প্রতিরোধে কিউবা প্রস্তুত রয়েছে। তার দাবি, দেশটি ঐতিহাসিকভাবেই যেকোনো আক্রমণ প্রতিরোধে জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলতে সক্ষম।
বিজ্ঞাপন
তিনি আরও বলেন, এমন আক্রমণ বাস্তবে ঘটার সম্ভাবনা কম হলেও কিউবা কোনো ধরনের ঝুঁকি উপেক্ষা করতে পারে না। একই সঙ্গে তিনি জানান, কিউবা এখনো কূটনৈতিক ও শান্তিপূর্ণ সংলাপকেই সমাধানের প্রধান পথ হিসেবে বিবেচনা করছে।
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বীপরাষ্ট্রটি নিয়ে কড়া অবস্থানের ইঙ্গিত দিয়েছেন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।








