অবশেষে পদত্যাগ করছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার

চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার পদত্যাগের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জোর গুঞ্জন ছড়িয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তিনি ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের কাছে উপযুক্ত সময়ে দায়িত্ব ছাড়ার ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন।
বিজ্ঞাপন
মন্ত্রিসভার একটি সূত্রের দাবি, স্টারমার প্রধানমন্ত্রীর পদ ছাড়তে প্রস্তুত থাকলেও তিনি তা করবেন নিজের সুবিধাজনক সময় ও শর্তে। সূত্রটির ভাষ্য, বর্তমান পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত করা সম্ভব নয় বুঝতে পেরেই তিনি মর্যাদার সঙ্গে সরে দাঁড়ানোর পরিকল্পনা করছেন। এ বিষয়ে শিগগিরই আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে বলেও জানা গেছে।
ক্ষমতায় আসার পর থেকেই নানা বিতর্কে চাপে রয়েছে লেবার পার্টির সরকার। সরকারের বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে সমালোচনার পাশাপাশি স্থানীয় নির্বাচনে দলের হতাশাজনক ফলাফল কিয়ার স্টারমারের ওপর চাপ আরও বাড়িয়েছে।
বিজ্ঞাপন
সবশেষ বড় ধাক্কা আসে সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ওয়েস স্ট্রিটিংয়ের পদত্যাগের ঘোষণায়। তিনি জানিয়েছেন, লেবার পার্টির নেতৃত্বের দৌড়ে স্টারমারকে চ্যালেঞ্জ জানাবেন। একই সঙ্গে স্টারমারকে সরে দাঁড়ানোর সময়সূচি নির্ধারণের আহ্বানও জানিয়েছেন তিনি।
জনমত জরিপ প্রতিষ্ঠান ইউগভের সাম্প্রতিক জরিপে দেখা গেছে, প্রায় ৬৯ শতাংশ ব্রিটিশ নাগরিক কিয়ার স্টারমার সম্পর্কে নেতিবাচক মনোভাব পোষণ করেন। জরিপে তাকে সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে অজনপ্রিয় ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীদের একজন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
দলীয় সূত্রগুলো বলছে, স্টারমারের জনপ্রিয়তা কমতে থাকলে ভবিষ্যতে লেবার পার্টির ক্ষমতায় টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়তে পারে। এতে নাইজেল ফারাজের নেতৃত্বাধীন রিফর্ম ইউকে আরও শক্তিশালী অবস্থানে যেতে পারে বলেও আশঙ্কা করছেন অনেকে।








