Logo

দাফনের জন্য কারবালা থেকে ইরানের মাশহাদে নেওয়া হচ্ছে খামেনির মরদেহ

profile picture
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
৯ জুলাই, ২০২৬, ১৬:১৬
দাফনের জন্য কারবালা থেকে ইরানের মাশহাদে নেওয়া হচ্ছে খামেনির মরদেহ
ছবি: সংগৃহীত

ইরানের নিহত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মরদেহবাহী কফিন ইরাকের নাজাফ থেকে ইরানের মাশহাদ শহরের উদ্দেশে নেওয়া হয়েছে। মাশহাদই খামেনির জন্মস্থান। সেখানে জানাজা ও রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে তাকে ইমাম রেজার (আ.) মাজার প্রাঙ্গণে দাফন করা হবে। বৃহস্পতিবার সকালে একটি বিমানে করে নাজাফ বিমানবন্দর থেকে মরদেহ মাশহাদের উদ্দেশে পাঠানো হয়।

বিজ্ঞাপন

ইরানের বার্তা সংস্থা তাসনিম জানিয়েছে, এর আগে বুধবার নাজাফ ও কারবালায় আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জানাজা ও শেষ শ্রদ্ধা নিবেদনের অনুষ্ঠানে লাখো মানুষ অংশ নেন। সংস্থাটি এই জনসমাগমকে নজিরবিহীন বলে উল্লেখ করেছে।

আয়োজকদের ভাষ্য অনুযায়ী, বিশেষ করে কারবালায় অতিরিক্ত জনসমাগমের কারণে শোকযাত্রা কয়েকবার থামাতে হয়। শেষ শ্রদ্ধা জানাতে মানুষের ভিড় বেড়ে যাওয়ায় কফিন মাশহাদে পৌঁছাতে কয়েক ঘণ্টা বিলম্ব হয়।

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

এ কারণে স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার সকাল ৮টায় নির্ধারিত জানাজার সময় পরিবর্তন করে দুপুর ২টায় নেওয়া হয়েছে।

তাসনিমের দাবি, ইরাকের আধুনিক ইতিহাসে সবচেয়ে বড় দুটি জানাজা ও শোকযাত্রার একটি ছিল এটি। তাদের তথ্য অনুযায়ী, নাজাফে হজরত ইমাম আলির (আ.) মাজার প্রাঙ্গণ ও আশপাশের এলাকায় প্রায় ৩৮ লাখ মানুষের সমাগম ঘটে। পরে ঐতিহাসিক আরবাইন পথ ধরে প্রায় ৮০ কিলোমিটার অতিক্রম করে কফিন কারবালায় হজরত ইমাম হুসাইনের (আ.) মাজারে নেওয়া হয়।

ইরাকে আয়োজিত শেষ বিদায়ের অনুষ্ঠান কাভার করতে প্রায় ৪ হাজার ৩০০ দেশি-বিদেশি সাংবাদিক অংশ নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন আয়োজক কমিটির মুখপাত্র সাদ মান।

বিজ্ঞাপন

ইরাকের ধর্মীয় ও রাজনৈতিক নেতাদের অনুরোধে ইরানের কর্তৃপক্ষ এক দিনের জন্য খামেনির মরদেহ নাজাফ ও কারবালায় নেওয়ার অনুমতি দেয়।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় তেহরানে আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি এবং তার পরিবারের চার সদস্য নিহত হন বলে ইরান দাবি করে। এরপর প্রায় ৪০ দিন ধরে চলা সংঘাতের পর দুই পক্ষ যুদ্ধবিরতিতে পৌঁছায়।

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে খামেনির জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠান পিছিয়ে দেওয়া হয়েছিল। পরে ইরানে তার শেষ বিদায়ের কর্মসূচি শুরু হলে লাখো মানুষ এতে অংশ নেন। অনেকের হাতেই ছিল ন্যায়বিচার ও প্রতিশোধের প্রতীক হিসেবে লাল পতাকা।

বিজ্ঞাপন

সূত্র: তাসনিম

জেবি/জেএইচআর

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD