Logo

খামেনির শোকানুষ্ঠানে যোগ দিতে ৪ হাজার কিলোমিটার পথ পাড়ি

profile picture
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
৬ জুলাই, ২০২৬, ১৬:৫৮
খামেনির শোকানুষ্ঠানে যোগ দিতে ৪ হাজার কিলোমিটার পথ পাড়ি
ছবি: সংগৃহীত

ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শোকানুষ্ঠানে অংশ নিতে দেশটির বিভিন্ন অঞ্চল ছাড়াও বিদেশ থেকে প্রবাসী ইরানিরা তেহরানে ছুটে আসছেন। তাদেরই একজন মাজিয়া, যিনি যুক্তরাজ্য থেকে প্রায় ৪ হাজার কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে এই আয়োজনে অংশ নিয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

রোববার তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডেকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মাজিয়া বলেন, মাতৃভূমির প্রতি সংহতি প্রকাশ এবং খামেনির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতেই তিনি এই দীর্ঘ সফর করেছেন।

সাক্ষাৎকারে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক মন্তব্যেরও সমালোচনা করেন। মাজিয়ার ভাষ্য, ‘আমি বিশ্বকে জানাতে এখানে এসেছি যে, চার হাজার বছরের পুরোনো একটি সভ্যতাকে ধ্বংস করা সম্ভব নয়। কেউ যদি এমন চেষ্টা করে, তবে সে শেষ পর্যন্ত নিজের দেশকেই ক্ষতির মুখে ফেলবে।’

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে সামরিক অভিযান শুরুর সময় ট্রাম্প বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র চাইলে এক রাতেই ইরানের পুরো সভ্যতা ধ্বংস করে দিতে পারে। একই সঙ্গে তিনি একাধিকবার দাবি করেছেন, মার্কিন বাহিনী ইরানের সামরিক সক্ষমতাকে প্রায় ধ্বংস করে দিয়েছে।

তবে মাজিয়ার দাবি, চলমান সংঘাত ইরানকে দুর্বল নয়, বরং আরও ঐক্যবদ্ধ ও শক্তিশালী করেছে।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, ভেনেজুয়েলার মতো ইরানের তেলসম্পদের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই যুক্তরাষ্ট্র এই যুদ্ধ শুরু করেছে। তার মতে, অন্য দেশের সম্পদ দখলের চেষ্টার বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান নেওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে তিনি বলেন, পশ্চিমা গণতন্ত্রের প্রয়োজন নেই এবং সিরিয়া, ইরাক ও আফগানিস্তানের পরিস্থিতি এ বিষয়ে উদাহরণ হিসেবে যথেষ্ট।

বিজ্ঞাপন

ইরানের পরমাণু কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি দেশটিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল সামরিক অভিযান শুরু করে। ওই হামলার প্রথম দিন তেহরানে স্ত্রী, পুত্রবধূ ও নাতনিসহ নিহত হন টানা ৩৬ বছর ইরানের সর্বোচ্চ নেতা থাকা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। একই হামলায় তার ছেলে ও বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি গুরুতর আহত হন। তিনি বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

খামেনির মরদেহ সংরক্ষণের পর রাষ্ট্রীয়ভাবে ৪ থেকে ৯ জুলাই পর্যন্ত ছয় দিনের শোক কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ৯ জুলাই উত্তরাঞ্চলের মাশহাদ শহরে তাকে দাফন করা হবে। এর আগে ইরাকের নাজাফ ও কারবালায়ও তার জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

বিজ্ঞাপন

সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে

জেবি/জেএইচআর

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD