Logo

প্রশান্ত মহাসাগরে সাবমেরিন থেকে ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালাল চীন

profile picture
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
৬ জুলাই, ২০২৬, ১৭:৩০
প্রশান্ত মহাসাগরে সাবমেরিন থেকে ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালাল চীন
ছবি: সংগৃহীত

প্রশান্ত মহাসাগরের আন্তর্জাতিক জলসীমায় পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন থেকে ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে চীনের নৌবাহিনী। সোমবার (৬ জুলাই) স্থানীয় সময় দুপুর ১২টা ১ মিনিটে এই পরীক্ষা চালানো হয় বলে জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম।

বিজ্ঞাপন

রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তা সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, পিপলস লিবারেশন আর্মি নেভির একটি পারমাণবিক সাবমেরিন থেকে নকল ওয়ারহেডযুক্ত ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করা হয়। ক্ষেপণাস্ত্রটি নির্ধারিত জলসীমায় গিয়ে আঘাত হানে। তবে পরীক্ষাস্থলের সুনির্দিষ্ট অবস্থান প্রকাশ করেনি বেইজিং।

চীনের দাবি, এটি তাদের বার্ষিক সামরিক মহড়ার অংশ এবং কোনো নির্দিষ্ট দেশ বা লক্ষ্যবস্তুকে উদ্দেশ্য করে এ পরীক্ষা চালানো হয়নি। তবে বেইজিংয়ের সামরিক তৎপরতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাপান, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড।

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওয়ং জানান, ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার বিষয়ে চীন আগেই ক্যানবেরাকে অবহিত করেছিল। তবুও তিনি বলেন, দ্রুত সামরিক সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি চীনের উদ্দেশ্য সম্পর্কে পর্যাপ্ত স্বচ্ছতার অভাব রয়েছে, যা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য উদ্বেগের বিষয়।

ফিজির রাজধানী সুবায় এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, এই অঞ্চলের দেশগুলো চীনের কাছ থেকে আরও স্বচ্ছতা ও আস্থার প্রত্যাশা করে।

উল্লেখ্য, অস্ট্রেলিয়া ও ফিজির মধ্যে নতুন প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষরের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষাটি চালানো হয়। ওই চুক্তি অনুযায়ী, যেকোনো এক দেশ আক্রান্ত হলে অন্য দেশ সহায়তা করবে।

বিজ্ঞাপন

বিশ্লেষকদের মতে, দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে কৌশলগত প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে চীন এবং যুক্তরাষ্ট্র-অস্ট্রেলিয়া নেতৃত্বাধীন পশ্চিমা জোটের মধ্যে প্রতিযোগিতা দীর্ঘদিনের। এ পরিস্থিতিতে চীনের সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা নতুন করে ভূরাজনৈতিক আলোচনা উসকে দিয়েছে।

নিউজিল্যান্ডভিত্তিক জাহাজ পর্যবেক্ষণ প্রতিষ্ঠান স্টারবোর্ড মেরিটাইম ইন্টেলিজেন্সের বিশ্লেষক মার্ক ডগলাস বলেন, পরীক্ষাটি আগে থেকেই পরিকল্পিত ছিল। তবে অস্ট্রেলিয়া-ফিজি প্রতিরক্ষা চুক্তির পরপরই এ সংক্রান্ত ঘোষণা দেওয়া সময়ের দিক থেকে তাৎপর্যপূর্ণ।

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

অন্যদিকে, এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাও নিং বলেন, সংশ্লিষ্ট দেশগুলো যেন প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপ রাষ্ট্রগুলোর স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে সম্মান করে এবং কোনো তৃতীয় পক্ষের স্বার্থকে লক্ষ্যবস্তু না বানায়।

সূত্র: রয়টার্স

জেবি/জেএইচআর

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD