ইরানে রাতভর হামলা, শোনা যাচ্ছে বিস্ফোরণের শব্দ

হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। এ পরিস্থিতিতে ইরানের বিভিন্ন স্থাপনায় রাতভর ধারাবাহিক হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠায় ইরানের কার্যক্রমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে এসব হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।
বিজ্ঞাপন
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, সাম্প্রতিক অভিযানের ধারাবাহিকতায় এবারও উপকূলরক্ষী ঘাঁটি, আশ্রয়কেন্দ্র এবং হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে বাধা সৃষ্টি বা নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত ইরানি সামরিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, ইরানের অভ্যন্তরে আরও একটি লক্ষ্যবস্তু, বিশেষ করে একটি পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার সম্ভাবনাও যুক্তরাষ্ট্র বিবেচনা করছে।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
এদিকে ইরানের আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যম মেহের নিউজ এজেন্সির খবরে বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় রাত ৩টা ১০ মিনিটে দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের বুশেহর শহরে একটি শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। তবে এ বিস্ফোরণের বিষয়ে এখন পর্যন্ত ইরান সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য দেওয়া হয়নি।
একই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ইরানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের খুজেস্তান প্রদেশের ওমিদিয়া শহরে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়েছে। স্থানীয় এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানানো হয়, ওই হামলায় অন্তত চারজন আহত হয়েছেন।
বিজ্ঞাপন
এর আগে হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে ইরানের বিরুদ্ধে আবারও অবরোধ পুনর্বহালের ঘোষণা দেয় যুক্তরাষ্ট্র। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, হরমুজ প্রণালিতে ইরানের ওপর নতুন করে অবরোধ কার্যকর করা হয়েছে এবং এ নৌপথে নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর কাছ থেকে অর্থ আদায় করবে যুক্তরাষ্ট্র।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প লেখেন, যুক্তরাষ্ট্র এখন থেকে ‘হরমুজ প্রণালির অভিভাবক’ হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে।
তিনি আরও বলেন, বিশ্বের অন্যতম অস্থিতিশীল এই অঞ্চলে নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যয় নির্বাহের জন্য প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত সব কার্গোর ওপর ২০ শতাংশ হারে অর্থ আদায় করা হবে এবং এ সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হবে।
বিজ্ঞাপন
সূত্র: আল জাজিরা








