ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের যোগদান নিয়ে যা বলল ভারত

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠেয় ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের আউটরিচ সেশনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অংশ নেবেন কি না, সে বিষয়ে নতুন কোনো তথ্য নেই বলে জানিয়েছেন ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল।
বিজ্ঞাপন
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) নয়াদিল্লিতে নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে জানানোর মতো নতুন কোনো তথ্য তার কাছে নেই।
ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন শুরু হতে আর মাত্র চার দিন বাকি। সম্মেলনে অংশ নিতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ভারতের পক্ষ থেকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তবে ঢাকা জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফরের জন্য আরও অনুকূল কূটনৈতিক পরিবেশ প্রয়োজন।
তারেক রহমানের সফর নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জয়সওয়াল বলেন, এ বিষয়ে তাদের কাছে নতুন কোনো তথ্য নেই।
বিজ্ঞাপন
গত ফেব্রুয়ারিতে দায়িত্ব গ্রহণের পর তারেক রহমানের সম্ভাব্য প্রথম দিল্লি সফর নিয়ে কয়েক সপ্তাহ ধরে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে আলোচনা চলছে। ২০২৪ সালে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর দুই দেশের সম্পর্কের মধ্যে টানাপোড়েন তৈরি হয়। সেই পরিস্থিতি কাটিয়ে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক স্বাভাবিক করার বিষয়েও দুই দেশ আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
২০২৪ সালের আগস্টে শিক্ষার্থী-জনতার আন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনা দেশ ছাড়ার পর ভারতে অবস্থান করছেন। তাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর জন্য ঢাকা একাধিকবার নয়াদিল্লির কাছে অনুরোধ জানিয়েছে। তবে ভারত জানিয়েছে, এ বিষয়ে করা আবেদন তারা পর্যালোচনা করছে।
বিজ্ঞাপন
আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে ব্রিকস আউটরিচ সেশন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এতে অংশ নেওয়ার জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
সম্প্রতি ঢাকায় বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে ভারতের হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদীর বৈঠকে তারেক রহমানের ব্রিকস সম্মেলনে অংশগ্রহণ এবং শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ নিয়ে আলোচনা হয়েছে কি না—এমন প্রশ্নও করা হয় জয়সওয়ালকে।
জবাবে তিনি বলেন, বৈঠকটি মূলত সৌজন্য সাক্ষাৎ ছিল। সেখানে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের বিভিন্ন দিক, দুই দেশের জনগণের পারস্পরিক সম্পর্ক এবং ভবিষ্যতে এই সম্পর্ককে কীভাবে আরও এগিয়ে নেওয়া যায়, সেসব বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
জয়সওয়াল আরও বলেন, নির্ধারিত ওই বৈঠকে সৌজন্য বিনিময়ের পাশাপাশি দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের কিছু বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
এদিকে প্রায় দুই বছর বন্ধ থাকার পর আগামী অক্টোবর থেকে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে আন্তঃদেশীয় যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল পুনরায় শুরুর পরিকল্পনা নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদন সম্পর্কে জানতে চাইলে জয়সওয়াল বলেন, এ বিষয়ে তার কাছে কোনো হালনাগাদ তথ্য নেই।








