মরক্কোর সঙ্গে পূর্ণাঙ্গ কূটনৈতিক সম্পর্কে যাচ্ছে ইসরায়েল

দূতাবাস চালু ও রাষ্ট্রদূত নিয়োগের মধ্য দিয়ে দ্বিপক্ষীয় কূটনৈতিক সম্পর্ককে পূর্ণাঙ্গ রূপ দিতে সম্মত হয়েছে ইসরায়েল ও মরক্কো। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ইসরায়েলি সরকারের আনুষ্ঠানিক আরবি ভাষার ‘এক্স’ অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত এক বিবৃতির বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে রয়টার্স।
বিজ্ঞাপন
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক ওয়াল্টজের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকে ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিডিওন সার এবং মরক্কোর পররাষ্ট্রমন্ত্রী নাসের বোরিতা অংশ নেন।
বৈঠকে দুই দেশের প্রতিনিধিরা কূটনৈতিক মিশনগুলোকে দূতাবাসে উন্নীত করা এবং রাষ্ট্রদূত নিয়োগের বিষয়ে একমত হন। পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে বিমান চলাচল বাড়ানো, পারস্পরিক বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার বিষয়েও আলোচনা হয়।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
২০২০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় স্বাক্ষরিত আব্রাহাম চুক্তির আওতায় ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করা চার আরব দেশের একটি মরক্কো। ওই চুক্তিতে সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন ও সুদানও অংশ নেয়।
তবে মিসর ও জর্ডানের সঙ্গে ইসরায়েলের শান্তিচুক্তি আরও আগে থেকেই রয়েছে। আরব দেশগুলোর সঙ্গে ইসরায়েলের সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উদ্যোগ মধ্যপ্রাচ্যের কূটনৈতিক সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
এদিকে, আরব দেশগুলোর সঙ্গে ইসরায়েলের সম্পর্ক স্বাভাবিক করার প্রক্রিয়া ফিলিস্তিনিদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি করেছে। স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের স্বীকৃতি এবং দখলকৃত ভূখণ্ড থেকে ইসরায়েলি বাহিনী প্রত্যাহারের বিষয়ে দীর্ঘদিনের আরব অবস্থান এসব চুক্তির ফলে দুর্বল হয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন ফিলিস্তিনিরা।
বিজ্ঞাপন
সূত্র: রয়টার্স








