যুদ্ধ সম্ভবত শেষ পর্যায়ে পৌঁছে গেছে, ইরান চুক্তিতে আগ্রহী

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চলমান যুদ্ধ শেষের দিকে এগোচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, যুদ্ধ সম্ভবত শেষ পর্যায়ে পৌঁছে গেছে এবং ইরান একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে আগ্রহী।
বিজ্ঞাপন
ট্রাম্প বলেন, “আমরা সম্ভবত যুদ্ধের শেষ পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছি। তারা (তেহরান) একটি চুক্তি করতে চায়। দেখা যাক, কী হয়।”
সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প আরও জানান, ইরানের কাছ থেকে তিনি ‘সরাসরি’ বার্তা পেয়েছেন। তবে ওই বার্তার বিষয়বস্তু বা কীভাবে তা তাঁর কাছে পৌঁছেছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানাননি তিনি।
এদিকে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস জানিয়েছে, আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে উপসাগরীয় দেশগুলোর নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করতে পারেন ট্রাম্প। বৈঠকে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের পর মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী কৌশল এবং যুদ্ধ-পরবর্তী পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হতে পারে।
বিজ্ঞাপন
অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, বাহরাইন, কুয়েত ও ওমানের প্রতিনিধিরা ওই বৈঠকে অংশ নিতে পারেন। এসব দেশ চলমান সংঘাতের কারণে নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক ক্ষতির মুখে পড়েছে।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
তবে ট্রাম্পের সর্বশেষ মন্তব্যের পরও যুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি বা নতুন কোনো চুক্তি চূড়ান্ত হওয়ার ঘোষণা আসেনি। এর আগেও ট্রাম্প একাধিকবার ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ দ্রুত শেষ হওয়ার সম্ভাবনার কথা বলেছিলেন, কিন্তু সংঘাতের অবসান নিয়ে পরিস্থিতি বারবার পরিবর্তিত হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
চলমান সংঘাতটি ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার মধ্য দিয়ে শুরু হয়। এরপর কয়েক মাস ধরে সামরিক সংঘাত, যুদ্ধবিরতি ও কূটনৈতিক তৎপরতার মধ্য দিয়ে পরিস্থিতি এগিয়েছে।
সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধের অবসান এবং পরবর্তী ব্যবস্থা নিয়ে বিভিন্ন পর্যায়ে আলোচনা হয়েছে। তবে স্থায়ী সমাধানে পৌঁছানো এখনো নিশ্চিত হয়নি। অ্যাক্সিওসের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওয়াশিংটন যুদ্ধ-পরবর্তী কৌশল নিয়েও পরিকল্পনা করছে।
এ অবস্থায় ট্রাম্পের নতুন মন্তব্য ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের সম্ভাব্য সমাপ্তি নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে। তবে চুক্তি বা যুদ্ধবিরতির বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপের ওপরই পরিস্থিতির চূড়ান্ত দিক নির্ভর করবে।
বিজ্ঞাপন
সূত্র: রয়টার্স








