বাড়িতে ঝগড়ার পর ট্রাকে লিফট, চালক-সহকারীর হাতে ধর্ষণের শিকার কিশোরী

ভারতের উত্তরপ্রদেশে ট্রাকে লিফট চাওয়ার পর ১৭ বছর বয়সী এক কিশোরী সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। বলরামপুরের বাসিন্দা ওই কিশোরীর অভিযোগ, ট্রাকের চালক ও সহকারী তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করেছেন। পরে পুলিশের কাছে যাওয়ার আগ পর্যন্ত প্রায় ১৫০ কিলোমিটার পথ তিনি অভিযুক্ত দুজনের সঙ্গে বাধ্য হয়ে ভ্রমণ করেছেন।
বিজ্ঞাপন
উত্তরপ্রদেশের সালিমপুর সার্কেলের পুলিশ কর্মকর্তা গৌরব সিং জানান, বলরামপুর ও বস্তির মধ্যবর্তী এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, হামলা ও অপহরণের অভিযোগে সালিমপুর কোতোয়ালিতে মামলা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট থানাকে মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। খবর হিন্দুস্তান টাইমসের।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ঝগড়ার পর বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান ওই কিশোরী। পরে বস্তিতে যাওয়ার জন্য সড়কের পাশে গাড়ির অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে ছিলেন তিনি।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
এ সময় একটি ট্রাক সেখানে এসে থামে। ট্রাকের চালক ও সহকারী তাকে বস্তিতে পৌঁছে দেওয়ার কথা জানান। তাদের কথায় বিশ্বাস করে কিশোরী ট্রাকে ওঠেন।
ওই কিশোরীর দাবি, তিনি ট্রাকে ওঠার পরপরই ট্রাকের চালক এটি চালানো দায়িত্ব তার সহকারীকে দেন। এ সময় তিনি ট্রাকচালকের যৌন হয়রানির শিকার হন। এরপর ট্রাকের সহকারীও তার ওপর নির্যাতন চালান। রাত হয়ে যাওয়ায় কারো কাছে তিনি সাহায্যও চাইতে পারেননি।
ভুক্তভোগী আও দাবি করেন, ওই দুজন তাকে সারারাতই জিম্মি করে রেখেছিলেন এবং তাদের ফাঁকি দিয়ে পালানোর কোনো উপায় ছিল না। এক পর্যায়ে কিছু মালামাল সংগ্রহ করতে চালক ট্রাক থামিয়ে নিচে নামেন। সুযোগের সদ্ব্যবহার করেন ভুক্তভোগী তিনি ট্রাকচালকে আসনের পাশের দরজা খোলেন এবং বাইরে বেরিয়ে দৌড়ে পালাতে থাকেন।
বিজ্ঞাপন
এক সময় ওই কিশোরী সালিমপুর পুলিশ স্টেশনে পৌঁছান এবং পুলিশের কাছে পুরো ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরেন। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী যে জায়গায় ট্রাকটি পার্ক করা ছিল, পুলিশ দ্রুত সে জাযগায় যায়। কিন্তু ততক্ষণে অভিযুক্তরা সেখান থেকে পালিয়ে যান।








