মক্কার পর এবার মদিনায় ভয়াবহ ড্রোন হামলা!

মক্কার পর এবার ইসলামের দ্বিতীয় পবিত্রতম নগরী মদিনায় ড্রোন হামলার অভিযোগ উঠেছে। হামলায় মসজিদে নববীতে বিদ্যুৎ সরবরাহকারী একটি কেন্দ্রের ট্রান্সফরমার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে দাবি করেছে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট। তবে হামলার দায় অস্বীকার করেছে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা।
বিজ্ঞাপন
সৌদি জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালিকির বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ পরীক্ষা করে হামলার সঙ্গে হুথিদের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেছে। হামলায় সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎকেন্দ্রটির একটি ট্রান্সফরমার ক্ষতিগ্রস্ত হলেও মদিনা শহর কিংবা মসজিদে নববীর বিদ্যুৎ সরবরাহে কোনো বিঘ্ন ঘটেনি।
তবে হুথিরা সৌদি জোটের এই অভিযোগকে প্রত্যাখ্যান করেছে। সংগঠনটির পক্ষ থেকে ঘটনাটিকে ‘মিথ্যা ও ঘৃণ্য প্রোপাগান্ডা’ হিসেবে উল্লেখ করে পবিত্র স্থানগুলোকে লক্ষ্য করে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
এর আগে মক্কার আকাশেও হুথিদের একটি ড্রোন ধ্বংস করার দাবি করেছিল সৌদি আরব। ফলে পরপর পবিত্র দুই নগরীকে ঘিরে ড্রোন হামলার অভিযোগ মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনাকে আরও আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে।
মদিনায় হামলার অভিযোগের পর পবিত্র স্থানগুলোর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। মুসলিম বিশ্বের বিভিন্ন মহল থেকেও এ ধরনের ঘটনার নিন্দা জানানো হচ্ছে।
তবে হামলার পেছনে কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক উদ্দেশ্য বা বৃহত্তর ষড়যন্ত্র রয়েছে—এমন দাবির পক্ষে প্রতিবেদনে স্বাধীনভাবে যাচাই করা কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তাই এ বিষয়ে নিশ্চিত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর আগে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বক্তব্য ও স্বাধীন তদন্তের ফল বিবেচনা করা প্রয়োজন।
বিজ্ঞাপন
পবিত্র স্থানগুলোর নিরাপত্তা নিয়ে চলমান উদ্বেগের মধ্যেই এখন মূল প্রশ্ন হয়ে উঠেছে—মদিনায় সংঘটিত কথিত ড্রোন হামলার প্রকৃত দায় কার এবং এর পেছনে কী ধরনের সামরিক বা কৌশলগত উদ্দেশ্য কাজ করেছে।








