Logo

সৌদি আরবে আরামকোর স্থাপনায় হুতিদের ভয়াবহ হামলা

profile picture
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১৯:৩৩
সৌদি আরবে আরামকোর স্থাপনায় হুতিদের ভয়াবহ হামলা
ছবি: সংগৃহীত

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি আরামকোর একটি স্থাপনায় হামলা চালানোর দাবি করেছে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা। ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীটির সঙ্গে সৌদি-সমর্থিত ইয়েমেন সরকারের বাহিনীর সংঘাতের মধ্যেই শনিবার এ দাবি করা হয়।

বিজ্ঞাপন

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে হুতিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি বলেন, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করে রিয়াদে আরামকোর একটি স্থাপনায় সামরিক অভিযান চালানো হয়েছে।

হামলাগুলো সুনির্দিষ্ট ও সরাসরি ছিল দাবি করে তিনি বলেন, এতে স্থাপনাটিতে আগুন ধরে যায়। শনিবার রিয়াদে আরামকোর একটি স্থাপনার কাছে আগুন ও ধোঁয়ার বড় কুণ্ডলী দেখা গেছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

তবে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের মুখপাত্র তুর্কি আল মালিকি হুতিদের রিয়াদে হামলার দাবি বিভ্রান্তিকর বলে মন্তব্য করেছেন। শনিবার সৌদি গণমাধ্যমে প্রচারিত বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

বিজ্ঞাপন

রোববার ভোরে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট জানায়, হুতিদের শক্তিবৃদ্ধি ঠেকাতে তোর আল-বাহা ফ্রন্ট ও তাইজ অক্ষে ৯৭টি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে অভিযান চালানো হয়েছে। এসব অভিযানে যুদ্ধবিমান, ড্রোন, কামান, ক্ষেপণাস্ত্র ও স্নাইপার ব্যবহার করা হয়েছে বলে দাবি করে জোটটি।

ইয়েমেন সরকারের বাহিনীর মুখপাত্র কর্নেল মাজেদ আবদুল্লাহ আল-নাজিলি দাবি করেন, এসব অভিযানে অন্তত ২৬০ হুতি যোদ্ধা লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছেন এবং ৪৪টি সামরিক যান ধ্বংস বা অচল করা হয়েছে।

এর আগে গত মাসের শেষ দিকে সৌদি আরবের পশ্চিম উপকূলের লোহিত সাগরীয় বন্দরনগরী ইয়ানবুতে আরামকোর স্থাপনায় হামলার দাবিও করেছিল হুতিরা। সে সময় সৌদি আরব জানিয়েছিল, তাইফ ও ইয়ানবুর দিকে ছোড়া ছয়টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা হয়েছে। আরামকোর স্থাপনায় কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

বিজ্ঞাপন

চলতি সপ্তাহে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট আরও জানিয়েছিল, মঙ্গলবার মুসলিমদের পবিত্র নগরী মদিনার একটি বিদ্যুৎকেন্দ্রে হুতিরা হামলা চালিয়েছে।

২০২২ সালে হওয়া ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি জুলাইয়ে ভেঙে পড়ার পর ইয়েমেনে সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে। সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি হুতিরা বাব আল-মান্দেব প্রণালির কৌশলগত দ্বীপগুলো ও বন্দরনগরী মোকার নিয়ন্ত্রণ নেয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

লড়াই পুনরায় শুরু হওয়ার পর ইয়েমেনে কয়েক লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। ২০১৪ সালে হুতিরা রাজধানী সানা দখল করার পর থেকেই দেশটিতে দীর্ঘদিন ধরে সংঘাত চলছে।

জেবি/জেএইচআর

জনবাণী এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। কপিরাইট © ২০২৬

Developed by: AB Infotech LTD