দিল্লিতে আটক অরবিন্দ কেজরিওয়াল, মোদী সরকারকে বললেন স্বৈরাচারী

দিল্লিতে বিক্ষোভে অংশ নিতে যাওয়ার পথে আটক হয়েছেন আম আদমি পার্টির (এএপি) জাতীয় আহ্বায়ক অরবিন্দ কেজরিওয়াল। শনিবার (১০ অক্টোবর) লোধি এস্টেটে নিজের বাসভবনের বাইরে থেকে তাকে আটক করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
বিজ্ঞাপন
ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লির যন্তর মন্তরে পূর্বঘোষিত বিক্ষোভে যোগ দিতে যাওয়ার সময় তাকে বাধা দেওয়া হয়। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের অনিয়মের অভিযোগ তুলে এই কর্মসূচির ডাক দিয়েছিল দলটি।
এর আগে বিভিন্ন বিরোধী দলের শীর্ষ নেতাদেরও দিল্লি বিমানবন্দরসহ রাজধানীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আটক করা হয়। এসব ঘটনার তীব্র সমালোচনা করে রাজধানীর কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা ও প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কেজরিওয়াল।
দিল্লিতে লাগাতার ধরপাকড় ও কড়াকড়ির সমালোচনা করে কেজরিওয়াল দাবি করেছেন, বর্তমান পরিস্থিতি অতীতের জরুরি অবস্থার সময়কেও ছাড়িয়ে গেছে।
বিজ্ঞাপন
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি অভিযোগ করেন, বিমানবন্দরে অবতরণের পরপরই বিরোধী নেতাদের আটক করে মূলত নিজেদের ভয়ের বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
তার মতে, দেশ বর্তমানে একটি স্বৈরাচারী শাসনের মধ্য দিয়ে চলছে। নির্বাচনে জয়ের পর নিজেদের অবস্থান ধরে রাখতে সরকার এখন পরিকল্পিতভাবে গণতন্ত্রকে দমন করার চেষ্টা চালাচ্ছে।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবি পুনর্ব্যক্ত করার পাশাপাশি সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর তীব্র সমালোচনা করেছেন কেজরিওয়াল। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লেখেন, ‘জ্ঞানেশকে যেতে হবে, একই সঙ্গে মোদীকেও সরে দাঁড়াতে হবে।’
বিজ্ঞাপন
তার অভিযোগ, ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে চলমান বিতর্ক নির্বাচনী ব্যবস্থার নিরপেক্ষতা ও স্বচ্ছতা সম্পূর্ণ প্রশ্নবিদ্ধ করে তুলেছে। এসআইআর প্রক্রিয়ার নানা ত্রুটি ও অনিয়মের প্রতিবাদে বিরোধীরা দীর্ঘদিন ধরে নির্বাচন কমিশনের শীর্ষ কর্তার পদত্যাগ দাবি করে আসছে।








