ইসরায়েলের নির্বাচনে রেকর্ড ভোটার উপস্থিতি, চূড়ান্ত ফল ৪ নভেম্বর

ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি ১৯৯৯ সালের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। তবে ভোটারদের ব্যাপক অংশগ্রহণের পরও সরকার গঠনের লড়াইয়ে স্পষ্ট ব্যবধান দেখা যাচ্ছে না। বুথফেরত জরিপে প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর নেতৃত্বাধীন জোট ও বিরোধী জোট সমানসংখ্যক আসন পেতে পারে বলে আভাস পাওয়া গেছে। চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হবে আগামী ৪ নভেম্বর।
বিজ্ঞাপন
গত মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নির্বাচনে ভোট গ্রহণ শেষে প্রকাশিত বুথফেরত জরিপে এমন চিত্র উঠে এসেছে।
ইসরায়েলের চ্যানেল ১২ জানিয়েছে, দেশটির ফিলিস্তিনি নাগরিকদের মধ্যে ভোটার উপস্থিতি প্রায় ৮০ শতাংশে পৌঁছেছে। এটি ১৯৯৯ সালের রেকর্ডকেও ছাড়িয়ে গেছে। একই সঙ্গে সামগ্রিক ভোটার উপস্থিতি দাঁড়িয়েছে ৭৭ দশমিক ৭ শতাংশে, যা ১৯৯৯ সালের পর সর্বোচ্চ।
জরিপ অনুযায়ী, সাবেক ইসরায়েলি সেনাপ্রধান গাদি আইজেনকটের ইয়াশার পার্টির নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোট এবং নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টির নেতৃত্বাধীন জোট ৫১টি করে আসন পেতে পারে।
বিজ্ঞাপন
অন্যদিকে, আরবদের নেতৃত্বাধীন প্রধান দুই দল জয়েন্ট লিস্ট ও ইউনাইটেড আরব লিস্ট বা রা’আম মিলিয়ে ১৮টি আসন পেতে পারে।
আরও পড়ুন
বিজ্ঞাপন
ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নেসেটে মোট আসন ১২০টি। সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন অন্তত ৬১টি আসন। ফলে কোনো জোটই এককভাবে প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাচ্ছে না। এ পরিস্থিতিতে সরকার গঠনে আরব দলগুলোর সমর্থন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।
রা’আমের নেতা মানসুর আব্বাস আশা প্রকাশ করেছেন, চূড়ান্ত ফলে তাঁর দলসহ নেতানিয়াহুবিরোধী জোট ৬১টি আসন পেতে পারে। তবে বর্তমান হিসাব অনুযায়ী, সরকার গঠনের পথ সহজ নয়।
বিজ্ঞাপন
নির্বাচনের আগে ও পরে প্রধান দুই জোটই তাঁর দলের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে বলে জানিয়েছেন মানসুর আব্বাস। ইসরায়েলের প্রায় এক কোটি জনসংখ্যার ২১ শতাংশ ফিলিস্তিনি নাগরিক। ঐতিহাসিকভাবে তাদের ভোট দেওয়ার হার কম হলেও এবার ব্যাপক অংশগ্রহণ দেখা গেছে।
আল-জাজিরার সাংবাদিক নুর ওদেহ জানিয়েছেন, আগে ভোট দিয়ে পরিবর্তন আনা সম্ভব নয় বলে মনে করতেন—এমন অনেক ভোটারও এবার ভোট দিয়েছেন। চূড়ান্ত ফল প্রকাশের পর কোন জোট সরকার গঠনের দিকে এগোবে এবং আরব দলগুলো কতটা প্রভাব রাখতে পারবে, তা স্পষ্ট হবে।
সূত্র: আল-জাজিরা








