‘হ্যাঁ’ বনাম ‘না’, ভোটের ফলেই নির্ধারিত হবে ভবিষ্যৎ

‘পরিবর্তনের চাবি এবার আপনারই হাতে’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে আসন্ন গণভোটকে কেন্দ্র করে ব্যাপক জনসচেতনতামূলক প্রচারণা শুরু করেছে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়। গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ও ‘না’ ভোটের গুরুত্ব তুলে ধরে একটি লিফলেট প্রকাশ করা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজে প্রকাশিত ওই লিফলেটের শিরোনাম—‘গণভোট ২০২৬ সংসদ নির্বাচন: দেশের চাবি আপনার হাতে’। লিফলেটে গণভোটের মাধ্যমে দেশে কী ধরনের সাংবিধানিক ও রাষ্ট্রীয় পরিবর্তন আনা সম্ভব, তা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
লিফলেটে প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে বলা হয়েছে, আপনি কি এমন একটি বাংলাদেশ চান, যেখানে—
বিজ্ঞাপন
১. তত্ত্বাবধায়ক সরকার, নির্বাচন কমিশন ও সরকারি কর্ম কমিশন গঠনে সরকারি দল ও বিরোধী দল একত্রে কাজ করবে।
২. সরকারি দল ইচ্ছেমতো সংবিধান সংশোধন করতে পারবে না।
৩. সংবিধানের গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ক্ষেত্রে গণভোটের বিধান চালু থাকবে।
বিজ্ঞাপন
৪. বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার এবং গুরুত্বপূর্ণ সংসদীয় কমিটিসমূহের সভাপতি নির্বাচিত হবেন।
৫. যতই মেয়াদ হোক, কেউ সর্বোচ্চ ১০ বছরের বেশি প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবেন না।
৬. সংসদে নারীর প্রতিনিধিত্ব পর্যায়ক্রমে বাড়ানো হবে।
বিজ্ঞাপন
৭. ক্ষমতার ভারসাম্য প্রতিষ্ঠার জন্য সংসদে একটি উচ্চকক্ষ গঠিত হবে।
৮. দেশের বিচার ব্যবস্থা স্বাধীনভাবে কাজ করবে।
৯. আপনার মৌলিক অধিকারের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে, যেমন ইন্টারনেট সেবা কখনো বন্ধ করা যাবে না।
বিজ্ঞাপন
১০. দণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধীকে রাষ্ট্রপতি ইচ্ছেমতো ক্ষমা করতে পারবেন না।
১১. রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার মধ্যে ভারসাম্য থাকবে।
আরও পড়ুন: ইংরেজি নববর্ষে শব্দদূষণের ৩৮১ অভিযোগ
বিজ্ঞাপন
লিফলেটের শেষে বলা হয়েছে, ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে উপরোক্ত সব সুবিধা পাবেন, আর ‘না’ ভোট দিলে এসব কিছু পাবেন না।
গণভোট সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে নাগরিকদের www.gonovote.gov.bd
এবং www.gonovote.bd ওয়েবসাইট ভিজিট করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞাপন








